মেইন ম্যেনু

সংবাদ সম্মেলনে ‘সব’ বলবেন মাহি

চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহিকে স্ত্রী দাবি করা এবং এর পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত বলছেন মাহি।

মঙ্গলবার বিকেলে মাহি বলেন, ‘অপেক্ষা করুন। ঘটনা কী কারণে ঘটেছে, কারা করেছে- এর সব কিছুই সংবাদ সম্মেলনে বলা হবে। শাওন কারাগার থেকে বের হলেই এই সংবাদ সম্মেলন করা হবে।’

মোবাইল ফোনে মাহি আরো বলেন, ‘শাওন আমার ছোটবেলার বন্ধু। তার দ্বারা আমার এত বড় ক্ষতি সম্ভব নয়। সে কারো ইন্ধনে এমন কাজ করেছে। বিষয়টি নিয়ে তৃতীয় পক্ষ গভীর যড়যন্ত্রে লিপ্ত। শাওন যেকোনোভাবে এখানে ফেঁসে গেছে। এর পেছনে শাওনের বন্ধুদের প্ররোচনাও থাকতে পারে।’

তিনি জানান, বিষয়টি বোঝার পর সমঝোতা করেছে উভয় পরিবার।

এক প্রশ্নে তিনি আরো বলেন, শাওন এখন কারাগারে আছে। সে বের হলেই উভয় পরিবার এক সঙ্গে হয়ে সংবাদ সম্মেলন করবে। সেখানে পরিবারের অন্যরাও থাকবেন। ওই সময় শাওন আদালতে যে কাবিননামা দাখিল করেছে, সেই ব্যাপারে, তাদের দুইজনের সম্পর্কের বিষয়ে বিস্তারিত বলা হবে।

সংবাদ সম্মেলন কবে হবে নির্দিষ্ট করে বলতে না পারলেও শাওন কারাগার থেকে মুক্তির পরই তা করা হবে বলে জানান তিনি।

গত ২৫ মে মাহিয়া মাহির বিয়ে হয় সিলেট নিবাসী এক কম্পিউটার প্রকৌশলীর সঙ্গে। এর একদিন পর শাহরিয়ার আলম শাওন ফেসবুকে মাহির সঙ্গে তার তোলা কয়েকটি ছবি পোস্ট করে মাহিকে স্ত্রী দাবি করেন। এরপর রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় তথ্যপ্রযুক্তি আইনে শাওনের বিরুদ্ধে মামলা করেন মাহি। শাওনকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেয় গোয়েন্দা পুলিশ। এরপর মাহির সঙ্গে বিয়ের কাবিননামা আদালতে দাখিল করেন শাওন। এই প্রেক্ষাপটে দুই পরিবার সমঝোতা করে নেয়।

আগামী ১৬ জুন মাহির দায়ের করা মামলার শুনানির দিন রয়েছে। এ দিন শাওনের জামিন আবেদন করবেন তার আইনজীবীরা। যদি বাদির সম্মতি থাকে তাহলে জামিন পেতে বাধা থাকবে না। দুই দিনের রিমান্ড শেষে শাওন কারাগারে আছেন।

রোববার মাহি এবং শাওনের পরিবারের মধ্যে সমঝোতা হয়। সমঝোতার বিষয়ে ৩০০ টাকার দলিলে স্বাক্ষর করেন মাহির বাবা আবু বকর ও শাওনের বাবা নজরুল ইসলাম। সমঝোতা অনুযায়ী মাহি দায়ের করা মামলা তুলে নেবেন। আর শাওন কোনো মামলা করতে পারবেন না।