মেইন ম্যেনু

সন্তান জন্ম দিলেন, বাচ্চাকে বুকের দুধও পান করালেন সমকামী পরুষ!

ষোল বছর আগে প্রথম জানা গেল ইভান আসলে ট্রান্সজেন্ডার। তার আগে পর্যন্ত আর পাঁচটা মেয়ের যা-যা বাহ্যিক লক্ষণ, সে সবই ছিল তার মধ্যে। এই মেয়ে থেকে ছেলে হয়ে ওঠার পরেও সন্তানের জন্ম দিতে কোনো সমস্যাই হয়নি তার। গত বসন্তেই প্রথম সন্তানের জন্ম দিয়েছেন ইভান। সময় যে দ্রুত বদলাচ্ছে, ইভানের এই গর্ভধারণেই তার প্রমাণ মেলে।

যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনের যে সমকামী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ইভান চেকআপে যেতেন, একজন ট্রান্সজেন্ডার পুরুষকে সন্তানের জন্ম দিতে দেখে, সেখানকার ডাক্তাররাও বিস্মিত। ইভানের বয়স তখন ছিল ১৯, প্রথম জানা গেল ট্রান্সজেন্ডার। বাইরের গড়ন মেয়ে মেয়ে হলেও, তার ভিতরে একজন পুরুষের বাস।

ইভান জানান, সম্পূর্ণ ছেলে হয়ে ওঠার জন্য হরমোন চিকিৎসা শুরু তখন থেকেই। এখন বয়স ৩৫। পুরুষ হয়ে ওঠার জন্য শরীরে হরমোন প্রবেশ শুরু হলেও, নারী জননাঙ্গ (এমনকী স্তনও) কখনোই বাদ দিতে চাননি এই মার্কিনি।

ইভান জানান, ভবিষ্যতে যদি নিজের সন্তানকে স্তন্যদানের প্রয়োজন পড়ে, তাই পুরুষ হওয়ার পরেও স্তনজোড়া রেখে দিয়েছিলেন তিনি।

বছর তিনেক আগে ইভান ও তার স্ত্রী সঙ্গিনী প্রথমবার সন্তান ধারনের চিন্তাভাবনা শুরু করেন। এর পরেই হরমোন ট্রিটমেন্ট বন্ধ করে দেন ডাক্তাররা। কৃত্রিম যন্ত্রপাতি দিয়ে কী করে ইভান অন্তঃসত্ত্বা হতে পারে, ডাক্তাররা সে চেষ্টাই করতে থাকেন। দীর্ঘসময় ধরে চেষ্টার পর অবশেষে সাফল্যের মুখ দেখেন ডাক্তাররা। গত বসন্তে সন্তানের জন্মও দিয়েছেন এই রূপান্তরকামী পুরুষ।

ডাক্তাররাও মানছেন রূপান্তরিত পুরুষদের গর্ভধারণে যথেষ্ট জটিলতা রয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ে হরমোন চিকিৎসা বন্ধ করে দিতে হয়। যাতে শরীরে থাকা স্ত্রী অঙ্গগুলো সজীব হয়ে উঠতে পারে। ইভানের দাবি, গর্ভধারণকালীন তার ইতিবাচক অভিজ্ঞতাই হয়েছে। সূত্র: টাইম ডটকম।