মেইন ম্যেনু

সবাইকে পেছনে ফেলে এক নম্বরে সালমান-শ্রদ্ধা

টাইমস সেলেবেক্স র‌্যাংকিংয়ে সবাইকে পেছনে ফেললেন শ্রদ্ধা কাপুর। জুন মাসের ফলাফলে তিনিই হয়েছেন বলিউডের সেরা অভিনেত্রী।

এক নম্বর স্থানটি এখন তার দখলে। মে মাসে তিনি ছিলেন আটে। আর ২৩ থেকে তার স্কোর বেড়ে হয়েছে ৪৬।

এদিকে বলিউডের সেরা অভিনেতার জায়গাটি ধরে রেখেছেন সালমান খান । ‘বজরঙ্গি ভাইজান’-এর প্রচারণা, আগামী ছবি ‘প্রেম রতন ধন পায়ো’, তার প্রযোজিত ‘হিরো’ এবং তিনটি বিজ্ঞাপনী চুক্তি মাসজুড়ে আলোচনায় রেখেছে তাকে। যদিও মে মাসে তার ৫৩ স্কোর কমে দাঁড়িয়েছে ৪২।

অভিনেতাদের মধ্যে শ্রদ্ধার ‘এবিসিডি টু’ ছবির সহশিল্পী বরুণ ধাওয়ান দশ নম্বর থেকে এক লাফে উঠে গেছেন দুই নম্বরে। ‘দিলওয়ালে’, ‘শুদ্ধি’, ‘ঢিশুম’ আর পাঁচটি বিজ্ঞাপনী চুক্তির আলোচনায়ও ছিলেন তিনি। শীর্ষ দশ অভিনেতার তালিকায় পরের স্থানগুলোতে আছেন যথাক্রমে রণবীর সিং (দিল ধাড়াকনে দো, বাজিরাও মাস্তানি, ছয়টি বিজ্ঞাপন), শাহরুখ খান (দিলওয়ালে, ফ্যান, রায়ীস, সাতটি বিজ্ঞাপন), ফারহান আখতার (দিল ধাড়াকনে দো, ওয়াজির, রক অন টু, তিনটি বিজ্ঞাপন), অমিতাভ বচ্চন (ওয়াজির, কি অ্যান্ড কা, পাঁচটি বিজ্ঞাপন), অনিল কাপুর (দিল ধাড়াকনে দো, ওয়েলকাম ব্যাক, একটি বিজ্ঞাপন), অক্ষয় কুমার (ব্রাদার্স, সিং ইজ ব্লিং, এয়ারলিফট, ছয়টি বিজ্ঞাপন), এমরান হাশমি (হামারি আধুরি কাহানি, আজহার, একটি বিজ্ঞাপন) এবং হৃতিক রোশন (মহেঞ্জোদারো, পাঁচটি বিজ্ঞাপন)।

অন্যদিকে শীর্ষ দশ অভিনেত্রীর তালিকায় শ্রদ্ধার পরে আছেন যথাক্রমে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া (দিল ধাড়াকনে দো, বাজিরাও মাস্তানি, গঙ্গাজল টু, আমেরিকান টিভি সিরিজ কুয়ান্টিকো, পাঁচটি বিজ্ঞাপন), আনুশকা শর্মা (দিল ধাড়াকনে দো, অ্যাই দিল হ্যায় মুশকিল, পাঁচটি বিজ্ঞাপন), কারিনা কাপুর খান (বজরঙ্গি ভাইজান, উড়তা পাঞ্জাব, ৯টি বিজ্ঞাপন), দীপিকা পাড়ুকোন (বাজিরাও মাস্তানি, তামাশা, আটটি বিজ্ঞাপন), বিদ্যা বালান (হামারি আধুরি কাহানি, তিনটি বিজ্ঞাপন), ক্যাটরিনা কাইফ (ফ্যান্টম, ফিতুর, জাগ্গা জাসুস, ৯টি বিজ্ঞাপন), কঙ্গনা রনৌত (কাট্টি বাট্টি, সিমরান, রঙ্গুন, দুটি বিজ্ঞাপন), আলিয়া ভাট (শানদার, উড়তা পাঞ্জাব, কাপুর অ্যান্ড সানস, সাতটি বিজ্ঞাপন) এবং ইয়ামি গৌতম (আবরা কা ডাবরা, সনম রে, তিনটি বিজ্ঞাপন)।

২০১২ সালের সেপ্টেম্বর থেকে প্রতি মাসে টাইম সেলেবেক্স প্রকাশ করা হয়ে থাকে। ছবির ব্যবসায়িক সাফল্য, পত্রিকা, টিভি ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম হওয়া খবরের সংখ্যা ও সামর্থ্য, বিজ্ঞাপনী চুক্তি, ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে জনপ্রিয়তার ওপর ভিত্তি করে টাইমস সেলেবেক্স প্রকাশ করা হয়ে থাকে। ৬০টিরও বেশি পত্রিকা এবং ২৫০টির বেশি টিভি চ্যানেলের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই তালিকা প্রস্তুত করা হয়ে থাকে। এটাকেই ধরা হয় বলিউডের প্রথম র‌্যাংকিং সিস্টেম।