মেইন ম্যেনু

সমকামী ও ‘ষাট লাখ’ ইহুদি হত্যা করেন হিটলার

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের (১৯৩৯-৪৫) সময় জার্মান চ্যান্সেলর ও নাৎসি বাহিনীর প্রধান এডলফ হিটলারের ‘ষাট লাখ ইহুদি ও সমকামী’দের গণহত্যার মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয় তার চরম ইহুদি বিদ্বেষের চূড়ান্ত পরিণতি। ইহুদি নিধনের এই ঘটনা ইতিহাসে “হলোকষ্ট” নামে পরিচিত।

হিটলার মৃত্যুর আগে লেখা দুটি চিঠির মধ্যে একটিতে লিখেছিলেন, “আমি চাইলে পৃথিবীর সব ইহুদিদের হত্যা করতে পারতাম।

কিন্তু কিছু ইহুদি এই জন্যে বাঁচিয়ে রাখলাম যেন, পরবর্তীতে পৃথিবীবাসি অনুধাবন করতে পারে আমি কেন ইহুদিদের হত্যা করে নিশ্বেস করতে চেয়েছিলাম”। তার ভবিষ্যৎ বাণীর বাস্তব দৃষ্টান্ত স্বাধীন ফিলিস্তিনে বর্তমানে ইসরাইলের অস্তিত্বে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের খলনায়ক হিটলার আজকের এই দিনে (৩০এপ্রিল) মৃত্যুবরণ করেন। ১৯৪৫ সালের ৩০ এপ্রিল যুদ্ধে নিশ্চিত পরাজয় জেনে জার্মানির বার্লিনে স্ব-স্ত্রীক আত্মহত্যা করেন তিনি। ১৮৮৯ সালের ২০ এপ্রিল জার্মানীর ব্রাউনাউ-আম-ইন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন হিটলার।

১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সৈনিক হিটলার তৎকালীন লেবার পার্টির প্রধান হয়ে পার্টির নাম পরিবর্তন করে রাখেন ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট জার্মান ওয়ার্কার্স পার্টি। পরবর্তীতে এই পার্টিকেই বলা হত নাৎসি পার্টি। ১৯৩৪ সালে হিটলার রাষ্ট্রপতির পরিবর্তে নিজেকে জার্মানির ফুয়েরার হিসেবে ঘোষণা করেন। তার স্বপ্ন ছিল “এক বিশ্ব, এক নেতা”। পরের বছর ৩৫’এ নতুন আইন চালু করে দেশের নাগরিকদের দুটি ভাগে বিভক্ত করেন। এ আইনে ইহুদিরা জার্মানিতে বসবাসের অধিকার পেলেও নাগরিকত্ব হারান।

৩৯’এ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তি জার্মান হিটলারের নেতৃত্বে মহাদেশীয় ইউরোপ এবং আফ্রিকা ও এশিয়ার অনেক অঞ্চল জয় করে। কিন্তু যুদ্ধের ক্রান্তিলগ্নে তার বিশ্বস্ত কর্মী মিত্র পক্ষে যোগ দিয়ে ‘এটম বোমা’র থিউরি মিত্র শক্তিকে দিয়ে দেওয়ার পর, কোণ ঠাঁসা মিত্র শক্তি অক্ষ শক্তি জার্মানি ও তার সহযোগীদের উপর সম্পূর্ন প্রভাব বিস্তার করে। সর্বশেষে মিত্র শক্তি যুদ্ধে বিজয় লাভ করে।