মেইন ম্যেনু

সমুদ্রের আতঙ্ক কি সত্যি হল? দেখুন গুগলের সেই ভিডিও’র রহস্য…

সমুদ্রজীবীরা যুগ যুগ ধরে তার আতঙ্কে ভুগেছেন। তাকে নিয়ে রচিত হয়েছে অসংখ্য কাহিনি। সেই সব কাহিনির সূত্র ধরে নির্মিত হয়েছে সিনেমা।

নরওয়ে-গ্রিনল্যান্ডের সমুদ্র-কিংবদন্তির একটা বড় জায়গা জুড়ে রয়েছে ‘ক্রাকেন’। সে এক বিপুলাকৃতি সমুদ্র-দানব। তার চেহারা বিশাল কোনও স্কুইড বা অক্টোপাসের মতো। সমুদ্রজীবীরা যুগ যুগ ধরে তার আতঙ্কে ভুগেছেন। তাকে নিয়ে রচিত হয়েছে অসংখ্য কাহিনি। সেই সব কাহিনির সূত্র ধরে নির্মিত হয়েছে সিনেমা।

কিন্তু তার বাস্তব অস্তিত্ব নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে বরাবর। ক্রাকেনকে রূপকথার প্রাণী বলেই মনে করা হয়েছে।

কিন্তু সম্প্রতি গুগল আর্থ-এর একটি ছবিতে ফুটে উঠল এক বিশালাকার প্রাণীর চেহারা। আন্টার্কটিকার কাছে সাউথ শেটল্যান্ডস দ্বীপপুঞ্জের লাগেয়া সমুদ্রে হঠাৎই এক আলোড়ন ধরা পরড়ে ঘুগল আর্থ-এ।

werg

তার পরে এই বিষয়ে একটি ইউটিউব ভিডিও আপলোড হয়। তাতে দেখা যায়, ১২০ মিটার দীর্ঘ কোনও প্রাণী জলে দাপাদাপি করছে। তার চেহার কিছুতেই তিমি বা অন্য চেনা জলচরদের মতো নয়। অনেকেই সিদ্ধান্তে এসেছেন, এই প্রাণী কিংবদন্তি-কথিত ক্রাকেন ছাড়া আর কিছুই নয়। এই বিষয়ে যাঁরা খোঁজখবর রাখেন, তাঁদের ধারণায় ছবিতে ক্রাকেনের একটা অংশ মাত্র। তার চেহারা আরও বিশাল।

অনেকে আবার এই ‘ক্রাকেন তত্ত্ব’ মানতে নারাজ। তাঁরা বলছেন, এটা আসলে কোনও ‘সেল রক’-এর ছবি।
সেল রক একধরনের বেলেপাথরের চাঁই, সমুদ্র-জনিত আবহবিকারে তার চেহারা দাঁড়ায় নৌকার পালের মতো।
ক্রাকেন না সেল রক, কী ছিল সেই ছভিতে, ভিডিও দেখে আপনারাই বলুন—