মেইন ম্যেনু

সম্পর্কে ধোঁকায় পড়ছেন নাতো?

আজকাল প্রেমের সম্পর্কে ধোঁকাবাজির ঘটনা প্রায়ই দেখা যায়। এমন কেউ আছেন যারা, নিজের কার্যসিদ্ধি হয়ে গেলে চলমান সম্পর্ক ভেঙে খুঁজতে থাকে নতুন শিকার। আপনি যাকে মনে প্রাণে ভালোবাসেন তিনি এমনই মানুষরূপী কোনো ধোঁকাবাজ নয়তো? তার কাছে সম্পর্ক মানে যৌনতার প্রাধান্য নয়তো? সম্পর্কে সন্দেহ থাকা ভালো না, কিন্তু যে সন্দেহ আপনাকে অনাগত বিপদ থেকে রক্ষা করতে পারে তা দোষের কিছু নয়। তাই মনের মানুষটির আচরণের সঙ্গে কিছু বিষয় মিলিয়ে নিন।

তাকে কতটা চেনেন?
ভালোভাবে চেনার অর্থ এই নয় যে তার মুখে শুনে সব কিছুই জানেন। আপনি তার বন্ধু বান্ধব এবং আত্মীয়স্বজনের নাম জানেন, ফেসবুকে তার বন্ধুদের দেখেছেন এবং তার বলা কথাতেই শুধু তাকে চেনেন। আপনি কি তার বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে পরিচিত এবং তার বাসা আসলেই কোথায় তা কি নিজ চোখে দেখছেন? যদি প্রশ্নের উত্তর না হয় তাহলে একটু সতর্ক হোন।

কথা বলার বিষয় কি?
ভালোবাসার সম্পর্কে প্রেমিক-প্রেমিকা অনেক বিষয় নিয়েই কথা বলে থাকেন। নিজেদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কেও অনেক আলাপ করে নেন। কিন্তু তার সব কথাই যদি ঘুরে ফিরে শরীর সম্বন্ধীয় হয় তাহলে তা তার দুষ্টুমি ভেবে নেবেন না। এটি বরং তার মানসিক সমস্যার কথা প্রমাণ করে।

অল্প সময়েই বেশি ঘনিষ্ট?
আপনারা যখন একসঙ্গে ঘুরতে যান তখন অনেক আবেগ কাজ করে উভয়ের মনে। পছন্দের মানুষটি সামনে থাকলে এটি খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু প্রত্যেকটি জিনিসের নির্দিষ্ট সময় রয়েছে। আপনাদের দু-একবার দেখা হওয়ার পরই যদি তিনি অতিরিক্ত কাছে ঘেঁষতে চান তাহলে সতর্ক হওয়া উচিৎ।

বাহ্যিক সৌন্দর্যের বেশি মূল্যায়ন?
প্রতিটি পুরুষের কাছেই তার প্রেমিকা অনেক বেশি সুন্দরী এবং তারা বেশ প্রশংসাও করেন প্রেমিকাকে খুশি করতে। কিন্তু আপনি লক্ষ্য করে দেখুন তো আপনার প্রেমিকের কাছে আপনার ভালোবাসার মূল্য বেশি নাকি আপনার শারীরিক ও বাহ্যিক সৌন্দর্যের মূল্য বেশি? নিজের সন্দেহের অবসান ঘটাবে আপনারই উত্তর।

যৌন সম্পর্কে সরাসরি বা পরোক্ষ প্রস্তাব?
এই প্রশ্নের উত্তর যদি হ্যাঁ হয়ে থাকে তাহলে অন্য কোনো বিষয় চিন্তা করার কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ যতোই বিষয়গুলো আজকালকার যুগে সহজ হয়ে উঠুক না কেন একজন ভালো মানসিকতার মানুষ কখনোই এমন প্রস্তাব করবেন না। তাই আবারও সাবধান।