মেইন ম্যেনু

সম্পর্কে পরিণত একজন নারী এই ভুলগুলো করেন না কখনো

একজন নারী সম্পর্কে জড়াতে শুরু করেন কৈশোর থেকে। কৈশোরের সে সম্পর্ক কারো টেকে, কারও আবার টেকে না। বড় হতে হতে ছোট বেলার অনেক ভুল আমরা শুধরে নিতে শুরু করি। আমাদের বয়সের সাথে আমাদের সম্পর্কগুলোও অনেক গোছানো হয়, পরিপক্ক হয়। সিদ্ধান্তগুলোতে থাকে বুদ্ধির ছাপ, ঠিক-ভুলের কার্যকর হিসেব। একজন কিশোরির কাছে যে সিদ্ধান্ত সঠিক, সেই একই কিশোরী পরিণত বয়সে হয়ত একই সিদ্ধান্ত নেবেন না। অভিজ্ঞতা বদলে দেয় অনেক কিছু।

তাই কেউ যখন আপনাকে বলছে, আপনার সিদ্ধান্ত প্রাপ্তবরস্কদের মত হয় নি, বরং হয়েছে অনেকটা ছেলেমানুষের মত তখন মিলিয়ে নিন এই বিষয়গুলো। কারণ একজন বিবেচনা সম্পন্ন নারী সম্পর্কে এই ভুলগুলো কখনো করেন না।

কঠিন পরিস্থিতিতে ভেঙে পড়া
একজন বুদ্ধিমান নারী কোন সমস্যা দেখলেই ভয় পেয়ে যান না। মাথা ঠান্ডা রেখে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন তিনি। শুধু মানুষের জীবনে নয়, সম্পর্কে আসে নানান টানাপোড়েন। সঙ্গীকে একা করে দিয়ে নিজের মত চলে যাওয়া কোন পরিণত সিদ্ধান্ত নয়। তিনি সেটা করেন না। বরং সমাধান বের করেন। আর নারী হওয়ার কারণে একসাথে অনেক চিন্তা করার ক্ষমতা তো আছেই।

দোষারোপ করা
দোষারোপ ধ্বংস করে সম্পর্ককে। একজন বিবেচনা সম্পন্ন নারী সারাক্ষণ দোষারোপ করা থেকে বিরত থাকেন। কারণ তিনি জানেন, কোন ভুল শুধু একজনের কারণে হয় না। দোষারোপ করা কোন সমাধানও নয়। বরং তিনি নিজেই পথ খুঁজে নেন। অপ্রাপ্তিগুলোকে প্রাপ্তিতে পরিণত করেন নিজের মত।

দায়িত্ব না নেওয়া
সঙ্গীর উপরে আর্থিক, সামাজিক, মানসিক সকল দায়িত্ব সে নারীই প্রদাণ করে যার নিজের দায়িত্ব নেওয়ার ক্ষমতা নেই। ম্যাচিউর্ড একজন নারী কখনো এই কাজ করেন না। তিনি দায়িত্ব ভাগ করে নেন। নিজের মানসিক চাপ নিজেই সামাল দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন তিনি। দায়িত্ব নেন সংসারের। দায়িত্ব নেন সমাজের সাথে সুসম্পর্ক রক্ষার। এতে যুগল সম্পর্কেও একটি বোঝাপড়া বিরাজ করে।

পরনির্ভরশীল হওয়া
প্রাপ্তমনস্ক একজন নারী নিজের ক্ষমতা বোঝেন। তিনি কখনো ভেঙে পড়েন না। কঠিন পরিস্থিতিতে তিনি ঞ্জেকে শক্ত তো রাখেনই একই সাথে সঙ্গীর মানসিক শক্তি হয়ে তাকে রক্ষা করেন।

স্বপ্ন থেকে দূরে সরে যাওয়া
পরিণত নারী তার জীবনে স্বপ্নের মূল্য বোঝেন। কোনভাবেই তিন স্বপ্নের পথ থেকে সরে যান না। এমন উদাহরণ আপনি আপনার আশেপাশেই পাবেন। বিয়ে হয়ে গেছে, নিজের ক্যারিয়ার থেকে দূরে সরে এসেছেন এমন অনেক নারীই আছেন যারা পরবর্তীতে আবার ফিরে গেছেন স্বপ্নকে সত্যি করার পথে। বয়সের সাথে সাথে তিনি ক্ষমতা অর্জন করেন পরিবার, সম্পর্ক এবং নিজেকে একইভাবে গুরুত্ব দেওয়ার।

কৃতজ্ঞতা প্রকাশ না করা
প্রাপ্তবয়স্ক নারী তার সংগীকে ভালবাসেম্ন এবং তার কাছ থেকে ভালবাসা, সম্মান প্রাপ্তির জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তার মনে কোন অহংকার থাকে না। ভালবাসা প্রকাশ করতে তিনি পিছপা হন না। কৃতজ্ঞতা সম্পর্ককে মজবুত করে। দীর্ঘায়ু সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত পারস্পারিক কৃতজ্ঞতা।