মেইন ম্যেনু

‘সময় নষ্ট’ করা অভ্যাসগুলোই বুদ্ধি বাড়ায় আপনার

গল্পের বই পড়তে ভালবাসেন আপনি? অথবা ছবি আঁকতে? আমাদের দেশে খুব কম অভিভাবকই আছেন যারা শিশুকে বলেন, ‘যাও! টিভি দেখতে যাও!’ অথবা ‘যাও, একটু গল্পের বই পড়’। আমাদেরকে সবসময়ই একটি কড়া শাসনে থাকতে হয় যেখানে সখের চর্চা করাকে মনে করা হয় ‘সময় নষ্ট’। কিন্তু জানেন কি এই সময় নষ্ট কাজগুলোই আপনার মস্তিষ্কের বিকাশ ঘটায়? আসুন জেনে নিই কিভাবে-

গান শোনা
আপনার গান শুনতে ভাল লাগে? জোরে গান শোনা বা গান শুনতে শুনতে পড়াশোনা করার জন্য কতই না বকা খেয়েছেন জীবনে, তাই না? কিন্তু সংগীত আমাদের মস্তিষ্কের ভাল থাকার জন্য বিশেষভাবে প্রয়োজন। মিউজিক মস্তিষ্ককে উৎফুল্ল রাখে। আপনি যদি কোন বাদ্যযন্ত্র বাজাতে পারেন তাহলে সেটি আপনাকে দিনে দিনে সৃজণশীল করে তুলবে। আপনি যখন গিটার বাজান বা মাউথ অর্গান বাজান তখন আনমনে নতুন সুর তুলতে সচেষ্ট হন। এভাবে মস্তিষ্ক কার্যকর হতে থাকে, নতুন কিছু সৃষ্টি করতে অনুপ্রাণিত হয়। এভাবে হতে থাকে বুদ্ধিরও বিকাশ।

সিনেমা দেখা
আরেকটি সময় নষ্ট করা কাজ হল সিনেমা দেখা। সিনেমা দেখা মানেই অলসতা, দীর্ঘসময় কোন কাজ না করা ইত্যাদি। কিন্তু বাস্তবে সিনেমা আপনাকে জীবনের গল্প শোনায়। চোখের সামনে আপনি একটি গল্পকে হেটে চলে বেড়াতে দেখেন। সিনেমা মানুষকে তথ্য সমৃদ্ধ করে, জীবনের সাথে পরিচিত করে। কিছু সিনেমা কল্পনাজগতকে বিস্তৃত করে। কিছু সিনেমা আপনার মাঝে মানসিক সচেতনতা তৈরি করে। কিছু সিনেমা বুঝতে হলে ভীষণ মাথা খাটাতে হয়। আপনি যত বেশী চিন্তাশীল সিনেমা দেখবেন তত আপনার বুদ্ধির চর্চা হবে।

নানান রকম প্রশিক্ষণ নেওয়া
আপনার জানার আগ্রহ অনেক বেশী? অনেক কিছু শিখতে চান আপনি? জানতে চান, বুঝতে চান এমন কিছু যা আপনাকে আনন্দ দেয়? তাহলে অনেকবার নিশ্চয়ই শুনেছেন যে, ‘সবার উচিৎ যে কোন একটা বিষয়ে মনোনিবেশ করা’ অথবা ‘কি হবে এত শিখে?’ প্রকৃতপক্ষে জ্ঞান কখনো বিফলে যায় না। আপনি যত জানবেন তত আপনার মস্তিষ বিকশিত হতে থাকবে। আপনি নানান রকম প্রশিক্ষণ নিতে পারেন তার মানে আপনার মস্তিষ্কের সেই ক্ষমতা রয়েছে।