মেইন ম্যেনু

সর্বনিম্ন ১৫০জন হজযাত্রী না থাকলে এজেন্সি বাতিল

চলতি বছর থেকে মোট হজযাত্রী কমানো হয়েছে। সরকারিভাবে হজযাত্রীর সংখ্যা ৫ হাজার বাড়ালেও বেসরকারি পর্যায়ে হজযাত্রী ১৭ হাজার ১১০ জন কমিয়ে ফেলা হয়েছে। আর এখন থেকে কোনো এজেন্সির সর্বনিম্ন ১৫০ জন হজযাত্রী নাহলে সেই এজেন্সিকে গণ্য করা হবে না।

আগে যেখানে সরকারি হজযাত্রী ৫ হাজার যাওয়ার কথা, সেটি বাড়িয়ে করা হয়েছে ১০ হাজার। আর বেসরকারি পর্যায়ে যাওয়ার কথা ছিল ১ লাখ ৮ হাজার ৮৬৮ জন। সেখানে ১৭ হাজার ১১০ জন কমিয়ে করা নির্ধারণ করা হয়েছে ৯১ হাজার ৭৫৮ জন হজযাত্রী।

এখন থেকে প্রতি বছর সরকারিভাবে মোট ১০ হাজার আর বেসরকারিভাবে ৯১ হাজার ৭৫৮ জন হজযাত্রী পবিত্র সৌদি আরবে হজ করতে যেতে পারবেন, এমন সংখ্যা নির্ধারণ করে জাতীয় হজ ও ওমরাহ নীতি ১৪৩৭ হিজরি/২০১৬ এবং হজ প্যাকেজ ১৪৩৭ হিজরি/২০১৬ সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘সৌদি আরব সরকারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুসারে চলতি বছর থেকে হজযাত্রীর সংখ্যা সরকারিভাবে বাড়ানো হয়েছে আর বেসরকারিভাবে কমেছে।’

তিনি বলেন, সংশোধিত প্রস্তাব অনুযায়ী এখন থেকে হজ এজেন্সিগুলোর কমপক্ষে ১৫০ হজযাত্রী থাকতে হবে। তা না হলে তাদের এজেন্সি হিসেবে গণ্য করা হবে না। আগে প্রতি ৫০ জন হজযাত্রী হলেই এজেন্সি হজ কার্যক্রম চালাতে পারত। কিন্তু এখন কমপক্ষে ১৫০ জন হজযাত্রী হতে হবে। এর কমে কোনো এজেন্সিই হজ কার্যক্রম চালাতে পারবে না।

শফিউল আলম বলেন, অনুমোদিত নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, এখন থেকে কেউ ব্যক্তিগতভাবে কোরবানি দিতে পারবে না। সৌদি সরকারের তত্ত্বাবধানে ই-পেমেন্টের মাধ্যমে কোরবানি দিতে হবে। তা ছাড়া প্রতি বিমানে সর্বোচ্চ তিনজন মুয়াল্লিম হজে যেতে পারবেন।