মেইন ম্যেনু

সাংবাদিকদের কঠিন প্রশ্নে ক্ষুব্ধ হয় আ’লীগ

সাংবাদিকদের কঠিন প্রশ্নে ক্ষুব্ধহয় আওয়ামী লীগ। দলের বিপরীতে যে কোন ধরনের প্রশ্নে রেগে যান আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল কিংবা নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের সিনিয়র নেতারা। সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নই যেখানে সাংবাদিকদের মূখ্য বিষয়, সেখানে কঠিন প্রশ্নে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ায় এক দিকে যেমন সাংবাদিকরা বিব্রত হন, অপরদিকে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদও হয় প্রশ্নবিদ্ধ।

গত ২৩ এপ্রিল ধানমন্ডিস্থ শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে তৃতীয় ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির এক সাংবাদিকের প্রশ্নে ক্ষুব্ধ হন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। নির্বাচন কমিশনে আওয়ামী লীগের হস্তক্ষেপ ও কেন্দ্রের ভিতরে ও বাইরে কমিশনের দায় নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে হানিফ রেগে যান, তিনি বলেন, “হোয়াট ডো ইউ মিন বাই হস্তক্ষেপ, এটা দিয়ে আপনি কি বুঝাতে চাইছেন? নির্বাচন কমিশন স্বাধীন। তাদের সাংবিধানিক ক্ষমতা বলেই তারা স্বাধীন। আমরা তাদেরকে সেটাই স্মরণ করিয়ে দিতে গিয়েছি”।

অপরদিকে জননিরাপত্তা ও মানবাধিকার বিষয়ে আজ দীপ্ত টিভির এক আলোচনা অনুষ্ঠানে উপস্থাপক রোবায়েত ফেরদৌসের ওপর ক্ষেপে যান আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন।

সম্প্রতি একের পর এক হত্যাকাণ্ডে আওয়ামী লীগের অবস্থান ও এ থেকে বেরিয়ে আসার জন্য কাঙ্খিত রাস্তার বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্রীয় এই নেতা রেগে বলেন, “সব কথাই যদি আপনি বলেন তাহলে আমাকে এনেছেন কেন? বললাম না কথা! বসলাম এই খানে”।

বিভিন্ন সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর সরাসরি ঘুড়িয়ে ফিরিরে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। অন্যদিকে প্রশ্নের প্রতি-উত্তরে রাগ বা ক্ষুব্ধ আচরণ অন্য কাঙ্ক্ষিত প্রশ্নগুলোকেও আড়াল করে দেয়।