মেইন ম্যেনু

‘সাঈদীর মাদ্রাসা’ থেকে ১১২ জন আটক

খুলনার সোনাডাঙ্গা থানা এলাকার একটি মাদ্রাসা থেকে অনুষ্ঠান চলাকালে ছাত্র-শিক্ষকসহ ১১২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় সেখান থেকে প্রচুর বইও জব্দ বরা হয়। পুলিশের দাবি, ওই মাদ্রাসায় নাশকতার পরিকল্পনার জন্য সভা করা হচ্ছিল। যদিও না প্রকাশ না করার শর্তে মাদ্রাসার একজন শিক্ষক জানিয়েছেন, কলেজে নবীনবরণ অনুষ্ঠান চলছিল।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সোনাডাঙ্গা থানার দারুল কোরআন সিদ্দিকিয়া কামিল মাদ্রাসা থেকে তাদের আটক করা হয়। এলাকাবাসী জানায়, স্থানীয়ভাবে এ মাদ্রাসাটি জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাইদীর মাদ্রাসা হিসেবে পরিচিত।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) মুখপাত্র সহকারী কমিশনার শেখ মনিরুজ্জামান মিঠু জানান, জামায়াত-শিবির নাশকতার পরিকল্পনা নিয়ে মিটিং করছে এমন খবর পেয়ে পুলিশ বৃহস্পতিবার দুপুরে মাদ্রাসায় অভিযান চালায়। এ সময় মিলনায়তনে একটি সভা থেকে ছাত্র-শিক্ষকসহ মোট ১১২ জনকে আটক করে থানায় আনা হয়। আটককৃতদের মধ্যে ছাত্র-শিক্ষক ছাড়াও বহিরাগত শিবির ক্যাডার রয়েছে বলেও দাবি করেন কেএমপি মুখপাত্র।

সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেন জানান, প্রাথমিক যাচাইয়ে আটককৃতদের মধ্যে মহানগর ছাত্রশিবির সভাপতি মীম মিরাজ হুসাইন রয়েছেন। আটককৃত সবাইকেই গ্রেপ্তার দেখানো হবে না। প্রকৃত নিরীহদের যাচাই-বাছাই শেষে ছেড়ে দেওয়া হবে। সেখান থেকে অনেক বই জব্দ করা হয়েছে।

এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে দারুল কোরআন সিদ্দিকিয়া কামিল মাদ্রাসার এক শিক্ষক জানান, দুপুরে সেখানে ছাত্রদের নবীনবরণ অনুষ্ঠান চলছিল। এ সময় পুলিশ অভিযান চালিয়ে সবাইকে আটক করে নিয়ে যায়।

এদিকে কেএমপি মুখপাত্র শেখ মনিরুজ্জামান মিঠু আরো জানান, গতকাল বুধবার রাতে দৌলতপুর থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে জিহাদি বইসহ জামায়াতের দুই রুকনকে আটক করা হয়েছে। এঁরা হলেন আলহাজ শেখ আব্দুল ওয়াদুদ (৬৯) এবং জরিন খন্দকার (৫৯)। তাঁদের বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানায় মামলা হয়েছে।