মেইন ম্যেনু

সাঈদীর রিভিউ শুনানি কবে?

সম্প্রতি আপিল বিভাগে নতুন বিচারপতি নিয়োগ দেয়ায় একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড পাওয়া সাঈদীর রিভিউ আবেদন শুনানির জন্য পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ গঠনে আর কোনো সমস্যা নেই বলে জানিয়েছেন অ্যটর্নি জেনারেল মাহুবুবে আলম।

ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে সাঈদী যে আপিল করেছিলেন, তার শুনানি করেন পাঁচজন বিচারপতি। তাই রিভিউতেও পাঁচজন বিচারপতির শুনানির বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক অবসরে যাওয়ায় সাঈদীর রিভিউ আবেদনের সময় বিচারপতির সংখ্যা একজন কমে গেলে তার আবেদনের শুনানি শুরু হতে পারেনি।

রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, সা্ঈদীর মামলার রিভিউ শুনানিতে কোনো আইনি সমস্যা নেই। এখন শুনানির জন্য পাঁচ বিচারপতি আছেন। তবে রিভিউ শুনানি বিচারকদের ওপর নির্ভর করছে। নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না, কবে সাঈদীর মামলার রিভিউ শুনানি হবে।”

ট্রাইব্যুনালে ফাঁসির দণ্ডাদেশ পাওয়া সাঈদীর আপিল শুনানি হয় পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে। অর্থাৎ পাঁচজন বিচারপতি শুনানি করেন। তাতে তার ফাঁসির পরিবর্তে আমৃত্য কারাদণ্ডের রায় হয়।

আপিল বিভাগের আমৃত্যু কারাদণ্ডের রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে গত ১৭ জানুয়ারি রিভিউ পিটিশন দাখিল করেন দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী। আর সরকারপক্ষ আমৃত্যু কারাদণ্ডের বদলে ট্রাইব্যুনালের দেয়া রায় ফাঁসি বহাল করার জন্য রিভিউ আবেদন করে।

এর আগে গত ৩১ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ আমৃত্যু কারাবাসের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করে। রায় প্রকাশের পরই আসামিপক্ষ জানিয়েছিল তারা সাঈদীর খালাস চেয়ে রিভিউ আবেদন করবে আপিল বিভাগে।

২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর তৎকালীন প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সাঈদীর মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ দেয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি সাঈদীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। ট্রাইব্যুনালে সাঈদীর বিরুদ্ধে গঠিত ২০টি অভিযোগের মধ্যে আটটি প্রমাণিত হয় বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।