মেইন ম্যেনু

সাত খুনের মামলা পুনঃতদন্ত করা যাবে : হাইকোর্ট

বহুল আলোচিত নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ঘটনায় পুলিশের দেওয়া চার্জশিটে যে সমস্ত ত্রুটি রয়েছে তা সংশোধন করতে আদালতের নির্দেশনার প্রয়োজন নেই। তদন্ত কর্মকর্তা ইচ্ছে করলে পুনরায় তদন্ত করে অভিযোগপত্র সংশোধন করতে পারবেন বলে নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট।

নিহত কাউন্সিলর নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটির আবেদনের নিষ্পত্তি করে সোমবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও আমির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মঞ্জু ঘোষ, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মনিরুজ্জামান কবির।

এর আগে গত ৯ ডিসেম্বর আদেশের জন্য আজকের দিন ধার্য করেছিলেন হাইকোর্ট।

গত ১ ডিসেম্বর প্রথম দিনের শুনানিকালে আদালত বলেছিলেন, সাত খুনের মামলায় পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্রে (চার্জশিট) মারাত্মক ত্রুটি রয়েছে। আদালত বলেন, সাত খুনের মামলার বিচারের দিকে দেশের মানুষ তাকিয়ে আছে। এই মামলার রেজাল্ট কী হয়, মানুষ তা দেখতে চায়।

সাত খুনের মামলার অধিকতর তদন্ত চেয়ে আবেদন করেন সাত খুনের ঘটনায় নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি।

গত বছরের ২৭ এপ্রিল দুপুরে কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজনকে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড থেকে অপহরণ করা হয়। ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ছয়জনের এবং ১ মে অপরজনের লাশ পাওয়া যায়। নিহত অপর পাঁচজন হলেন- নজরুলের বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন, গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম, চন্দন সরকারের গাড়িচালক মো. ইব্রাহীম।

এ ঘটনায় নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম ফতুল্লা মডেল থানায় নূর হোসেন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন মিয়া, হাসমত আলী, আমিনুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন ও ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এ ছাড়া চন্দন সরকারের জামাতা বিজয় কুমার পাল একই ঘটনায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে একই থানায় আরেকটি মামলা করেন।