মেইন ম্যেনু

সাত খুন : অধিকতর তদন্তের আবেদনের আদেশ সোমবার

বহুল আলোচিত নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ঘটনায় মামলার অধিকতর তদন্ত আবেদনের আদেশের দিন পিছিয়ে আগামী সোমবার ধার্য করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত পাঁচ আসামির বাদ পড়া নিয়ে নারাজি আবেদনের পর বাদীকে আদালতে পরীক্ষাসংক্রান্ত তথ্য বৃহস্পতিবারের মধ্যে জমা দিতে বলা হয়েছে।

বুধবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি আমির হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশের জন্য পুনরায় এ দিন ঠিক করেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবদুল বাসেত মজুমদার ও অ্যাডভোকেট মন্টু ঘোষ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মনিরুজ্জামান কবির।

এর আগে গত ৬ ডিসেম্বর অধিকতর তদন্তের আবেদনের শুনানি শেষে আদেশের জন্য আজকের দিন ঠিক করেছিলেন।

গত ১ ডিসেম্বর প্রথম দিনের শুনানিকালে আদালত বলেছিলেন, সাত খুনের মামলায় পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্রে (চার্জশিট) মারাত্মক ত্রুটি রয়েছে।

আদালত বলেন, ‘সাত খুনের মামলার বিচারের রয়ের জন্য দেশের মানুষ তাকিয়ে আছে। এই মামলার রেজাল্ট কী হয়, মানুষ তা দেখতে চায়।’

সাত খুনের মামলার অধিকতর তদন্ত চেয়ে আবেদন করেন নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি।

গত বছরের ২৭ এপ্রিল দুপুরে কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজনকে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড থেকে অপহরণ করা হয়। ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ছয়জনের এবং ১ মে অপরজনের লাশ পাওয়া যায়। নিহত অপর পাঁচজন হলেন নজরুলের বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন, গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম, চন্দন সরকারের গাড়িচালক মো. ইব্রাহীম। এ ঘটনায় নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম ফতুল্লা মডেল থানায় নূর হোসেন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন মিয়া, হাসমত আলী, আমিনুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন ও ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

এ ছাড়া চন্দন সরকারের জামাতা বিজয় কুমার পাল একই ঘটনায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে একই থানায় আরেকটি মামলা করেন।