মেইন ম্যেনু

সানিয়া মির্জার আরেক কীর্তি

প্রথম কোনো ভারতীয় টেনিস তারকা হিসেবে গ্র্যান্ড স্ল্যাম (উইম্বলডন) জিতেছিলেন সানিয়া মির্জা। এবার তার সাফল্যের পাখায় আরো একটি পালক যুক্ত হলো। উইম্বলডনের পর ইউএস ওপেনেও নারী দ্বৈতের শিরোপা জিতে টানা দ্বিতীয় গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতেছেন তিনি। তার সঙ্গী ছিলেন সেই মার্টিনা হিঙ্গিসই।

গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের মধ্য দিয়েই বছর শেষ করলেন সানিয়া মির্জা ও মার্টিনা হিঙ্গিস জুটি। বিশ্বের এক নম্বর নারী দ্বৈত জুটি ফ্লাসিং মিডোতে হারালেন ক্যাসে ডেলাকুয়া ও ইয়ারোস্লাভা সেদোভার জুটিকে। জয়ের ব্যবধান ৬-৩ ৬-৩ গেম। বলতে গেলে এক তরফা লড়াইয়ে জিতেছেন সানিয়া-হিঙ্গিস জুটি।

রোববার নারী দ্বৈতের ফাইনালে শুরু থেকেই দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন গত জুলাইয়ে উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন সানিয়া-হিঙ্গিস জুটি। এদিন আর্থার অ্যাশে স্টেডিয়ামে এক ঘণ্টার বেশি সময়ের এই লড়াইয়ে অজি-কাজাখ জুটিকে হারাতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি সানিয়াদের। কোনও সেট না হেরেই জয় পেয়েছেন ইন্দো-সুইস জুটি। অবশ্য সানিয়া মির্জার এটাই প্রথম ইউএস ওপেন দ্বৈতের শিরোপা।

ম্যাচ শেষে সানিয়া মির্জা বলেন, ‘এই বছরটি আমাদের জন্য দারুণ গেল। উইম্বলডনের পর ইউএস ওপেনের শিরোপা জিতে মনে হচ্ছে আমরা আসলেই শক্ত একটি জুটি।’

৩৪ বছর বয়সী মার্টিনা হিঙ্গিস অবশ্য এর আগে ইউএস ওপেনের মিশ্র দ্বৈতের শিরোপা জিতেছিলেন। নারী দ্বৈতের শিরোপা জয়ের পর তিনি বলেন, ‘শুরু থেকেই আমরা ভালো খেলছিলাম। আমাদের পরিকল্পনা দারুণ কাজে দিয়েছে। অবশ্য একসঙ্গে আমরা দারুণ খেলেছি।’

হিঙ্গিসের একক, দ্বৈত ও মিশ্র দ্বৈত মিলিয়ে ২০টা গ্র্য্যান্ড স্ল্যাম হলো। এর মধ্যে এককে ৫টি, মিশ্র দ্বৈততে ৪টি এবং দ্বৈতে ১১টি। এ বছর লিয়েন্ডার আর সানিয়াকে নিয়ে ৫টা জিতে ফেললেন। হিঙ্গিসের এটা ১১তম খেতাব। এর আগে লিয়েন্ডার পেজের সঙ্গে জুটি বেঁধে হিঙ্গিস এই টুর্নামেন্টের মিশ্র দ্বৈতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন।