মেইন ম্যেনু

সানি-তাসকিনের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে ‘সন্দেহ’!

বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের প্রথম ম্যাচে আরাফাত সানি এবং তাসকিনের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে ‘সন্দেহ প্রকাশ করেছেন’ আম্পায়াররা। এমনই কানাঘুষা চলছে ক্রিকেটাঙ্গনে। বিষয়টি নিয়ে গতকাল ধর্মশালায় একপ্রস্ত নাটক হয়েছে।

ব্যাপারটি নিয়ে বাংলাদেশ দলের কেউ মুখ খুলতে চাচ্ছেন না। এমনকি দুই আম্পায়ারও নজিরবিহীনভাবে নিজেদের সন্দেহের কথা জানিয়েছেন বলে শোনা যাচ্ছে। দুই বোলারকে ‘আরেকটা সুযোগ’ দিতে চাইছেন দুই আম্পায়ার। বাছাইপর্বের বাকি দুই ম্যাচেও যদি তাদের অ্যাকশনে সমস্যা দেখা যায়, তাহলেই নাকি সন্দেহের কথা জানানো হবে আনুষ্ঠানিকভাবে। এ রকম হলে তা নজিরবিহীনই হবে। নিয়ম অনুযায়ী বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ না হলে এ নিয়ে আলোচনা করারই কথা নয় আম্পায়ারদের। সন্দেহ প্রকাশ করা মানেই সেটি আনুষ্ঠানিক।

গতকাল মাঠে থেকে ম্যাচ পরিচালনা করেছেন ভারতের সুনধারাম রবি এবং অস্ট্রেলিয়ান আম্পায়ার রোড টুকার। আনুষ্ঠানিকভাবে সন্দেহের কথা না জানিয়ে কেন তারা এভাবে সিদ্ধান্তের কথা জানালেন, তা স্পষ্ট নয়।

বাংলাদেশ দলের একটি সূত্র বলছে, টিম ম্যানেজার খালেদ মাহমুদের কাছে ম্যাচ শেষে সন্দেহের কথা জানান আম্পায়াররা।

বোলিং অ্যাকশন সন্দেহজনক হলে পরবর্তী অন্তত ২৮ দিন বোলিংয়ে বাধা থাকে না। নিয়ম অনুযায়ী সন্দেহ প্রকাশের ১৪ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বোলারকে আইসিসি অনুমোদিত কোনো পরীক্ষাগারে অ্যাকশনের পরীক্ষা দিতে হবে। পরীক্ষার রিপোর্ট আসে পরবর্তী ১৪ দিনের মধ্যে। রিপোর্টে অ্যাকশনকে অবৈধ বলা হলে অ্যাকশন শোধরানো পর্যন্ত বল করতে পারেন না ওই বোলার।

সেক্ষেত্রে তাসকিন-সানি অন্তত বিশ্বকাপের অনেকটা সময় বোলিংয়ের সুযোগ পাবেন। কেননা এখনো তাদের নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। যেদিন নেয়া হবে তার পরবর্তী ১৪ দিনের ভেতর তাদের পরীক্ষা দিতে হবে।

তাসকিন সম্প্রতি এশিয়া কাপে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন। গতকাল নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষেও ভাল করেছেন। চার ওভারে রান দিয়েছেন মাত্র ২১। সানিও কিপটে বোলিং করে গতকাল জয় পেতে সাহায্য করেন। দুই ওভার হাত ঘুরিয়ে তিনি খরচ করেন ১০ রান। তবে কেউই উইকেট পাননি।