মেইন ম্যেনু

সাবধান! প্লাস্টিক পাত্রে চুলের সর্বনাশ!

আপনি কি নিয়মিত প্লাস্টিক পাত্রে খান? প্লাস্টিক পাত্র যে চুলের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর তার সাবধান বাণী কিন্তু উচ্চািরণ করেছেন চিকিত্‍সকরা। তাদের মুখে এমন প্রশ্ন শুনে চমকে যাবেন আপনি। এতে রোজকার খাবারের সঙ্গে বহুল পরিমাণে প্লাস্টিক আপনার শরীরে ঢুকছে।

শুধু ঢুকছেই না, মিশছে রক্তের সঙ্গেও। এর ফলে শরীরে তৈরি হচ্ছে নানা সমস্যা। যার প্রাথমিক প্রভাব গিয়ে পড়ছে চুলের ওপর।

সম্প্রতি ১০০০ জন নারী-পুরুষের ওপর একটি পরীক্ষা চালিয়েছেন চিকিৎসকরা। তাতে দেখা গেছে, ৯২ শতাংশ মানুষের রক্তেই মিলেছে বিস্ফানল এ, যা বিশেষ ধরনের প্লাস্টিক তৈরি করতে কাজে লাগে।

যাদের রক্তে মিলেছে, দেখা গেছে তারা বেশির ভাগই ২৫ থেকে ৪০ বছর বয়সী। প্রায় সবাই কর্মরত। অর্থাত্‍ দিনে বেশ কয়েকবার বাইরের খাবার খান। আবার অনেকে বাড়ি থেকেই টিফিন নিয়ে আসেন। অফিসের মাইক্রোওয়েভে খাবার গরম করে খাচ্ছেন। দেখা যাচ্ছে, এদের সবাই প্লাস্টিকের পাত্রে খাবার নিয়ে আসেন। সেখান থেকেই শরীরে ওই বিষ ঢুকছে প্রতিদিন।

চিকিত্‍সকরা জানাচ্ছেন, ক্রমে স্টিল এবং চিনেমাটির পাত্রের জায়গায় দৈনন্দিন জীবনে প্লাস্টিকের পাত্রের ব্যবহার বহুল পরিমাণে বাড়ছে। এখন প্রায় প্রত্যেক ঘরেই মাইক্রোওয়েভ থাকায় পাত্রে রাখা খাবার গরম করা হচ্ছে তাতেই।

তার ওপর রান্না করার পর সরাসরি প্লাস্টিকের পাত্রে খাবার রাখার ফলে খাবারের মধ্যেই বিস্ফানল মিশে যাচ্ছে। এই বিষ হার্টের জন্য ভয়ানক। তাছাড়া মেটাবলিজম এবং হজম সংক্রান্ত নানা অসুখ বাঁধাতে এর জুড়ি মেলা ভার।

ভারতের ডা. প্রিয়াঙ্কা রোহাতগি বলেন, চুল পড়া আসলে একটা উপসর্গ। শরীরে কোনো বড় রোগ বাঁধার সম্ভাবনা তৈরি হলে ভীষণভাবে চুল পড়তে থাকে। বিস্ফানল আমাদের শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করে।

শুধু খাবার গরম করা থেকেই এটা শরীরে প্রবেশ করে না, বাচ্চাদের টিফিনবক্স বা পানির বোতল থেকেও প্রতিনিয়ত এই ক্ষতিকারক বস্তু শরীরে ঢুকছে। এটা প্রথমেই চুলের ওপর হামলা করছে। তথ্যসূত্র : ইন্ডিয়ান টাইমস