মেইন ম্যেনু

সাবধান!!! বাজারে নামী-দামী ব্র্যান্ডের গুঁড়া মরিচে ইটের গুঁড়া

বাজারে থাকা খাবার তেলের ৭৮ টি ব্র্যান্ডের মধ্যে ৩৪টিতে মাত্রাতিরিক্ত এসিড পেয়েছে জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট। নামী-দামী ব্র্যান্ডের গুড়া মরিচে ইটের গুড়া পাওয়া গেছে বিভিন্ন। ইনস্টিটিউট পরিচালিত খাদ্যের নমুনা পরীক্ষায় মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর উপাদান পাওয়া গেছে টমেটো আর বেগুনে।

উৎপাদন, আমদানী, পাইকারী ও খুচরা বাজারের নিত্যপ্রয়োজনীয় ৯টি খাদ্যপণ্যের প্রত্যেকটির ২৭টি নমুনা সংগ্রহ করে জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট।

নিজস্ব ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার পর দেখা যায় মুড়ির নমুনায় ইউরিয়ার অস্তিত্ব নেই। খেজুরেও পাওয়া যায়নি ফরমালিন। আঙ্গুর আর আমে ফরমালিনের উপস্থিতি সহনীয় পর্যায়ে।

তবে ১৯টি ব্রান্ডের সরিষার তেলে ১৪টিতেই পাওয়া গেছে স্বাভাবিকের তুলনায় অতিরিক্ত এলিক এসিড। আর খোলা সরিষার তেলের ৫টি নমুনার ৪টিতেই রয়েছে অতি মাত্রার এসিড।

অন্যদিকে ১৩ টি ব্রান্ডের সয়াবিন তেলের ৫টিতে পাওয়া গেছে অতিরিক্ত মাত্রায় এসিড থাকার অস্তিত্ব। কেবল অলিভ ওয়েলে কম মাত্রার এসিড পেয়েছে জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট।

কাঁচা মরিচে পাওয়া গেছে ডাইমেথয়েট মেটালাক্সিল ও ক্লোরোটাইরিফ্স। টমোটো ও বেগুনে পাওয়া গেছে কুইনালফস। গুঁড়া মরিচে পাওয়া গেছে ইটের গুড়ার রঙ যা শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর।

জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক বলছেন, নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ বাস্তবায়নে থাকা ১৮টি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে চরম সমন্বয়হীনতার কারণে খাদ্যে ভেজাল কমছে না।