মেইন ম্যেনু

সাবধান! ভারতের এই ২৩টি বিশ্ববিদ্যালয় সম্পূর্ণ ভুয়ো, ভর্তি হলে হতে পারে সর্বনাশ

দেশে ভুয়ো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা যেন বেড়েই চলেছে। ‘ভুয়ো’ বলতে, এই সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তৈরির সময়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে যথাযথ অনুমতি নেয়নি। ফলে ছাত্রছাত্রীদের ডিগ্রি প্রদানের কোনও এক্তিয়ারই নেই এই সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের। আর যদিও বা কোনও ডিগ্রি প্রদান করে এই সমস্ত ইউনিভার্সিটি, সেই ডিগ্রির কোনও বাজারি স্বীকৃতি থাকবে না। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) একটি তালিকা প্রকাশ করেছে এই জাতীয় ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করার জন্যে। তাতে দেখা যাচ্ছে, দেশের মোট ২৩টি বিশ্ববিদ্যালয়কে তারা ‘ভুয়ো’ বা ‘ফেক’ বলে চিহ্নিত করেছে। দেখে নেওয়া যাক, কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম রয়েছে সেই তালিকায়—
• বিহার:
১. মৈথিলি ইউনিভার্সিটি/বিশ্ববিদ্যালয়, দ্বারভাঙা, বিহার।

• দিল্লি:
২. কমার্শিয়াল ইউনিভার্সিটি লিমিটেড, দরিয়াগঞ্জ।
৩. ইউনাইটেড নেশনস ইউনিভার্সিটি, দিল্লি।
৪. ভোকেশনাল ইউনিভার্সিটি, দিল্লি।
৫. এডিআর-সেন্ট্রিক জুরিডিক্যাল ইউনিভার্সিটি, এডিআর হাউজ, নিউ দিল্লি।
৬. ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, নিউ দিল্লি।
৭. বিশ্বকর্মা ওপেন ইউনিভার্সিটি ফর সেল্‌ফ এমপ্লয়েমেন্ট, দিল্লি।
• কর্ণাটক:
৮. বাদাগনি সরকার ওয়ার্ল্ড ওপেন ইউনিভার্সিটি এডুকেশন সোশাইটি, বেলগাঁও, কর্ণাটক।
• কেরল:
৯. সেন্ট জনস ইউনিভার্সিটি, কৃ্ষ্ণোত্তম, কেরল।
• মহারাষ্ট্র:
১০. রাজা অ্যারাবিক ইউনিভার্সিটি, নাগপুর, মহারাষ্ট্র।
• পশ্চিমবঙ্গ:
১১. ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ অল্টারনেটিভ মেডিসিন, কলকাতা।
১২. ইনস্টিটিউট অফ অল্টারনেটিভ মেডিসিন অ্যান্ড রিসার্চ, ঠাকুরপুকুর, কলকাতা।
• উত্তর প্রদেশ:
১৩. বারাণসিয়া সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়, বারাণসি।
১৪. মহিলা গ্রাম বিদ্যাপীঠ/বিশ্ববিদ্যালয়, জগৎপুরি।
১৫. গাঁধী হিন্দি বিদ্যাপীঠ, প্রয়াগ, এলাহাবাদ।
১৬. ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ ইলেকট্রো কমপ্লেক্স হোমিওপ্যাথি, কানপুর।
১৭. নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ইউনিভার্সিটি (ওপেন ইউনিভার্সিটি), আলিগড়।
১৮. উত্তর প্রদেশ বিশ্ববিদ্যালয়, মথুরা।
১৯. মহারানা প্রতাপ শিক্ষা নিকেতন বিশ্ববিদ্যালয়, প্রতাপগড়।
২০. ইন্দ্রপ্রস্থ শিক্ষা পরিষদ, নয়ডা ফেজ-২।
২১. গুরুকুল বিশ্বিবিদ্যালয়, বৃন্দাবন।
• ওড়িশা:
২২. নবভারত শিক্ষা পরিষদ, রৌরকেলা।
২৩. নর্থ ওড়িশা ইউনিভার্সিটি অফ এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি, ওড়িশা।
এই সঙ্গে ২৭৯টি ‘ফেক’ টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউশন-এর নামও প্রকাশ করেছে ইউজিসি।
ইউজিসি-র তরফে জানানো হয়েছে, সংবাদপত্রে নোটিশ প্রকাশের মাধ্যমে এই সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি না হওয়ার জন্য ছাত্রছাত্রীদের সতর্ক করা হবে। অন্যদিকে মানবসম্পদ দফতরের প্রতিমন্ত্রী মহেন্দ্রনাথ পাণ্ডে রাজ্যসভায় জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট রাজ্যসরকারগুলিকে ভুয়ো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা পাঠিয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করার কথা বলা হয়েছে।