মেইন ম্যেনু

সামান্য সচেতনতায় শারীরিক ভোগান্তি দূর

সুস্থ সুন্দর জীবনের অধিকারী হতে চায় সবাই। অথচ প্রতিদিনই ছোটখাটো কিছু শারীরিক সমস্যা লেগে থাকে। সেগুলো অবহেলা করে আমরা পড়ে যায় চরম ভোগান্তিতে। অনাকাঙ্ক্ষিত সব দূর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব সামান্য সচেতন হলে। অনাবিল আনন্দে কাটাতে পারি সুখের জীবন। আসুন জেনে নেয়া যাক, প্রয়োজনীয় কিছু টিপস।

মাথাব্যাথা কমাতে মেডিটেশন

দেরি করে গোসল, খাওয়া-দাওয়ার সমস্যা বা সামাস্য সর্দিতে মাথাব্যথা হওয়া স্বাভাবিক। কারো কারো আবার মাইগ্রেনের সমস্যা রয়েছে। এই সময় অতিরিক্ত মানসিক চাপ মাথা ব্যথার কষ্টকে আরও বাড়িয়ে দেয়। দিনে অন্তত ৪৫ মিনিট করে মেডিটেশন (যোগ ব্যায়াম বা ধ্যান) করলে মাথা ব্যথার কষ্ট অনেকটাই লাঘব হয়। অ্যামেরিকার নর্থ ক্যারোলাইনার এক স্নায়ু বিশেষজ্ঞ এ তথ্য আবিষ্কার করেছেন।

মস্তিষ্কের সংকোচন

যারা কানে কম শোনেন, তারা চিকিৎসা না করালে মগজ সংকুচিত হয়ে যেতে পারে। বয়সের সঙ্গে কানে একটু কম শোনা স্বাভাবিক। তবে যারা এমনিতেই কম শোনেন, তাদের চিকিৎসা প্রয়োজন। জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কানের সমস্যায় যারা চিকিৎসা করাননি, তাদের মস্তিষ্ক বছরে ১ থেকে ২ ঘন সেন্টিমিটার ছোট হয়ে গেছে।

যখন দাঁত ব্রাশ নয়

টক জাতীয় ফল যেমন লেবু, কমলা, কামরাঙাসহ ভিটামিন-সি জাতীয় কিছু খাওয়ার পর দাঁত ব্রাশ না করাই ভালো। এতে সরাসরি দাঁতের ক্ষতি করে। তাই প্রয়োজনে আধাঘণ্টা অপেক্ষার করার পর ব্রাশ করা উচিৎ।

সপ্তাহ জুড়ে কাজ

সপ্তাহে ৬০ থেকে ৮০ ঘণ্টার কাজ যেন স্বাভাবিক হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে কাজের সময় কমিয়ে অবসর বা বিনোদনের ব্যবস্থা করতে হবে। অতিরিক্ত কাজের চাপে শারীরিক প্রক্রিয়ায় ভোগান্তির সৃষ্টি হয়।

সকালের নাস্তা

তাড়া থাকার কারণে অনেকেই সকালে নাস্তা না করে বাড়ি থেকে বের হন। জার্মানির স্বাস্থ্য বীমা কোম্পানি ডিএকে-র এক জরিপের ফলাফলে জানা গেছে, এটা চাকরি এবং সংসারের চাপে দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাওয়া। সকালে খেতে দেরি হলে ডায়বেটিসের আশঙ্কা বেড়ে যায় অনেক বেশি। তাই বড় কোনো অসুখে পড়ার হাত থেকে বাঁচতে সকালের নাস্তা করা জরুরি।