মেইন ম্যেনু

পাস বেড়েছে, জিপিএ-৫ কমেছে

সারাদেশে গড় পাসের হার ৮৮.২৯%

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গত বছরের তুলনায় পাসের হার কিছুটা বাড়লেও জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে।

এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১০ বোর্ডে গড় পাসের হার ৮৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। গত বছর গড় পাসের হার ছিল ৮৭ দশমিক ০৪ শতাংশ। এবার পাসের হার ১ দশমিক ২৫ শতাংশ বেড়েছে।

মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ৯ হাজার ৭৬১ জন। গত বছর এ সংখ্যা ছিল এক লাখ ১১ হাজার ৯০১ জন। এবার জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২ হাজার ১৪০ জন।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বুধবার (১১ মে) গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এসএসসিতে পাসের হার ৮৮ দশমিক ৭০ শতাংশ, মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৮৮ দশমিক ২২ ও কারিগরি বোর্ডে ৮৩ দশমিক ১১ শতাংশ।’

গত বছর আট বোর্ডে পাসের হার ছিল ৮৬ দশমিক ৭২, মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৯০ দশমিক ২০ ও কারিগরি বোর্ডে ৮৩ দশমিক ০১ শতাংশ ছিল।

সকাল সোয়া ১০টার দিকে গণভবনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের উপস্থিতিতে আটটি সাধারণ বোর্ড, মাদ্রাসা বোর্ড ও কারিগরি বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রীর হাতে ফলাফলের সার-সংক্ষেপ তুলে দেন।

এরপর দুপুর ১টায় শিক্ষামন্ত্রী সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করবেন বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।

এবার আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি, মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে দাখিল এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে মোট ১৬ লাখ ৫১ হাজার ৫২৩ শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। এরমধ্যে ৮ লাখ ৪২ হাজার ৯৩৩ জন ছাত্র ও ৮ লাখ ৮ হাজার ৫৯০ জন ছাত্রী।

১ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। তাত্ত্বিক বা লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ১০ মার্চ।

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গত বছর ১০ বোর্ডে গড় পাসের হার ছিল ৮৭ দশমিক ০৪ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছিল এক লাখ ১১ হাজার ৯০১ পরীক্ষার্থী। আটটি সাধারণ শিক্ষাবোর্ডে এসএসসিতে পাসের হার ৮৬ দশমিক ৭২, মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৯০ দশমিক ২০ ও কারিগরি বোর্ডে ৮৩ দশমিক ০১ শতাংশ ছিল।