মেইন ম্যেনু

সারাদেশে দলীয় প্রতীকে পৌর ভোট শুরু

ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে দেশের ২৩৪ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। এবারই প্রথম মেয়র পদের লড়াই হচ্ছে দলীয় প্রতীকে।

বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, যা বিরতিহীনভাবে চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

স্থানীয় সরকারের পৌরসভায় প্রথমবারের মতো দলীয়ভাবে ভোট হওয়ায় এবার যেন সংসদ নির্বাচনের হাওয়া বইছে ভোটের মাঠে। তবে দশম সংসদ নির্বাচনের দুই বছরের মাথায় হতে যাওয়া এ ভোট প্রধান রাজনৈতিক দলে লড়াইয়ের মনোভাবও পাল্টে দিয়েছে।

পৌরসভাগুলোর ৩ হাজার ৫৫৫টি ভোটকেন্দ্রে একযোগে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। ৬৬ হাজার ৭৬৮ জন কর্মকর্তা ভোটগ্রহণ করছেন।

এবার ৭০ লাখ ৯৯ হাজার ১৪৪ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন। তার মধ্যে পুরুষ ভোটার ৩৫ লাখ ৫২ হাজার ২৮৪ জন এবং নারী ভোটার ৩৫ লাখ ৪৬ হাজার ৮৬০ জন।

২৩৪ পৌরসভা নির্বাচনে ২০টি দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে মেয়র পদে ৯৪৫ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রয়েছে। সাধারণ কাউন্সিলর ৮ হাজার ৭৪৬ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ২ হাজার ৪৮০ জন।

মেয়র পদে আওয়ামী লীগের ২৩৪ জন, বিএনপির ২২৩ জন, জাতীয় পার্টির ৭৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রয়েছে।

দশম সংসদ নির্বাচনের দু’বছরের মাথায় দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকারের পৌর নির্বাচনে ভোট হচ্ছে। এতে ২০টি দলও অংশ নিয়েছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্থানে ছোটখাটো সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।

দলগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বী মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে আওয়ামী লীগের ২৩৪ জন, বিএনপির ২২৩ জন, জাতীয় পার্টির ৭৪ জন, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির ৮ জন, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির ১ জন, জেপির ৬ জন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ৪ জন, বিকল্পধারা বাংলাদেশের ১ জন, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের ১ জন, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের ১ জন প্রার্থী রয়েছেন।

সুষ্ঠু পরিবেশের ভোটগ্রহণ করার জন্য আগের ও পরে মিলে মোট ৪ দিনের জন্য লক্ষাধিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মাঠে রয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ প্রায় ৪৫ হাজার, ২২৯ পৌরসভায় বিজিবি ৯ হাজার ৪১৫, র‌্যাব ৮ হাজার ৪২৪ জন, কোস্টগার্ড ২২৫ আনসার-ভিডিপি ৪৯ হাজার ৭২৮ এবং ব্যাটালিয়ন আনসার ৪ হাজার ৫১২ সব মিলিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১ লাখ ১৭ হাজার ৩০৪ সদস্য মাঠে রয়েছে।

এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নেতৃত্বে অপরাধ দেখভালে মাঠে থাকছে ১ হাজার ২০৪ জন নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট।

ভোটের দিন ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ২০ জন ও সাধারণ কেন্দ্রে ১৯ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্বে রয়েছে। একই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর জন্য অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।