মেইন ম্যেনু

‘সারা বাংলাদেশ থেকে ক্রিকেটার খুঁজতে হবে, তাদের নিয়ে কাজ করতে হবে’

নিজেদের শততম টেস্টে ঐতিহাসিক জয় পেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। টাইগারদের এই জয়ে দারুন উচ্ছ্বসিত বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়ী দলের সদস্য মোহাম্মদ রফিক।

বাংলাদেশ দলের শততম টেস্টে জয়কে ‘অসাধারণ’ বলেছেন এই স্পিন কিংবদন্তি। সম্প্রতি পরিবর্তনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রফিক বলেন, “শততম টেস্টে জয়, এটা সত্যিই অসাধারাণ। পুরো বাঙ্গালি জাতির জন্যই এটা গর্বের বিষয়। দেশের ক্রিকেট যে এগিয়ে যাচ্ছে এই জয় তার প্রমাণ।

এই সাবেক তারকা আরও মনে করেন এখনই বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য ক্রিকেটার খোঁজা শুরু করা উচিত। পাইপ লাইনে সাকিব-তামিমদের মতো খেলোয়াড় অনেক বেশি দরকার। তার ভাষ্যমতে, “আনন্দের সাথে সাথে আমদের আগামী নিয়েও ভাবতে হবে। মনে রাখতে হবে খেলা এখানেই শেষ নয়। আগামীতে আমাদের কঠিন লড়াইয়ের মুখোমুখি হতে হবে। আমরা আগামীর সাকিব-তামিম-মুশফিক

তৈরি করতে পারছি কিনা এটাও নজরে রাখা প্রয়োজন। কারণ এই খেলোয়াড়রাই সবসময় খেলবে না। পাইপ লাইনে তাই তাদের মত খেলোয়াড় অনেক বেশি দরকার।”

মোহাম্মদ রফিকের মতে ঘরোয়া ক্রিকেটে নজরদারির বিকল্প নেই। ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রতিযোগিতা বাড়াতে পারলেই আরও ভালো ক্রিকেটার বের করে আনা সম্ভব।তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন, “আসলে আমি তো সেই ভাবে কোনকিছুর সঙ্গে যুক্ত নই। কিছুদিন আগে একাডেমির হয়ে কাজ করেছি। বেশকিছু ক্রিকেটারকে কাছ থেকে দেখেছি। কিন্তু শুধু একাডেমিই তো সব নয়। সারা বাংলাদেশ থেকে ক্রিকেটার খুঁজতে হবে এবং তাদের নিয়ে কাজ করতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা ঘরোয়া ক্রিকেটে নজরদারি বাড়াতে হবে। সবগুলো প্রতিযোগিতায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরো বাড়াতে হবে।”

বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের সাথে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পার্থক্য টেনে রফিক বলেন, “লক্ষ্য করে দেখবেন, বেশিরভাগ সময়ই শোনা যায় লম্বা ইনিংস খেলে আমরা অভ্যস্ত না। এটা কিন্তু শতভাগ সত্য একটি কথা। এটিকেই বলতে পারেন দুর্বলতাগুলোর মধ্যে অন্যতম। জাতীয় লিগ বা এখন যে বিসিএল হয় সেখানে যারা খেলে তাদের ফিটনেস লেভেল আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যারা খেলে তাদের ফিটনেস লেভেলটা দেখুন। অনেক তফাত। যে কারণে ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে সরাসরি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে গেলে অনেকেই হাবুডুবু খায়।”

রফিক বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে ঘরোয়া ক্রিকেটের ক্লাবগুলোকে সহায়তার পরামর্শও দিয়েছেন। তার ভাষায়, “ঘরোয়া ক্রিকেটের ক্যালেন্ডারটা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সঙ্গে সমন্বয় রেখে করা দরকার। দেশের ক্লাব ক্রিকেটটা অনেক জনপ্রিয়। ক্লাবগুলোতে ক্রিকেটারদের ফিটনেস উন্নয়নের ভালো ব্যাবস্থা থাকা প্রয়োজন। এখানে বিসিবিও ক্লাবগুলোকে সহায়তা করতে পারে।”