মেইন ম্যেনু

সালথা’র প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবনে ফাটল: আতংকে দিন কাটছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের সাড়–কদিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবনে ফাটল ধরেছে। জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশলীর অধীনে ২০ লক্ষ্য ১৫ হাজার টাকা ব্যয়ে ২য় তলা এ স্কুল ভবনটি নির্মাণ করেন মের্সাস মো. রশিদুল হাসান নামে ফরিদপুরের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। মাত্র এক মাস আগে এই ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ করা হয়। কাজ শেষ হতে না হতেই ভবনের দেওয়ালে একাধিক স্থানে ফাটল ধরে ও ধ্বসে পড়ছে। এমতবস্থায় ঝুঁকি নিয়ে আতংকের মধ্যে ক্লাস করছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

সাড়–কদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষিকা ঝর্না রানী রায় বলেন, আমাদের স্কুলের নবনির্মিত ভবনের কাজ শেষ হতে না হতেই দেওয়ালের একাধিক স্থানে এভাবে ফাটল ধরেছে। নতুন ভবনে এভাবে ফাটল ধরায় শিক্ষার্থীরা ক্লাস করতে ভয় পাচ্ছেন। যে কারণে চরম আতংকের মধ্যে রয়েছি আমরা। গত এক মাস আগে এই ভবনের কাজ শেষ হয়।

অথচ এখনো আমাদের কাছে ভবনটি হস্তান্তর করেননি সংশি¬ষ্টরা। এখন এই অবস্থায় ভবন হস্তান্তর করা হলেও আমরা তা গ্রহন করব না। বিষয়টি আমি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। এবিষয় সংশি¬ষ্ট ঠিকাদার রশিদুল হাসান হানিফ এ প্রতিবেদককে বলেন, কাজ করতে গেলে টুকিটাকি সমস্যা হতেই পারে। দেওয়ালের যেসব স্থানে ফাটল ধরেছে তা আমরা সংস্কার করে দেব। তাছাড়া উপজেলা প্রকৌশলী আমার কাছ থেকে এই ভবনের কাজ বুঝে নিয়েছেন। উপজেলা প্রকৌশলী এসবের কারন ভালো বলতে পারবে।

এব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী কাজী সেকেন্দার আলী বলেন, এই স্কুল ভবনে যতকুটু ফাটল ধরেছে তাতে কোন সমস্যা হবে না। এটা জেলা প্রকৌশলীও দেখেছেন। এছাড়া স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে এই ভবন হস্তান্তর করা হয়েছে। হয়তো প্রধান শিক্ষিকা তখন ছিলেন না!