মেইন ম্যেনু

সিজারিয়ান ছাড়া জন্মগ্রহণকারী শিশুদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি

অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া শিশুর তুলনায় স্বাভাবিকভাবে জন্মগ্রহণকারী শিশুরা স্বাস্থ্যবান হয়। এ ছাড়া স্বাভাবিকভাবে জন্মগ্রহণকারী শিশুরা বেশি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জন করে বলে গবেষণায় জানা গেছে। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।

স্বাভাবিকভাবে জন্মগ্রহণকারী শিশুরা মায়ের দেহ থেকে ‘মাইক্রোবায়োম’ পেয়ে থাকে। এটি তাদের শক্তিশালী রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জনে সহায়তা করে বলে গবেষকরা জানিয়েছেন।

স্বাভাবিকভাবে শিশু জন্মের সময় মায়ের দেহ থেকে শিশুর দেহে বেশ কিছু অতিক্ষুদ্র প্রাণী চলে আসে। এগুলো মূলত কোনো ক্ষতি করে না। তবে শিশুর দেহে ছড়িয়ে পড়ে এবং নানাভাবে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

গবেষকরা জানাচ্ছেন, ট্রিলিয়ন পরিমাণ অতি ক্ষুদ্র নানা প্রাণী আমাদের দেহে ছড়িয়ে রয়েছে। এগুলো দেহের ত্বক, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গসহ সর্বত্র রয়েছে। আর সিজারিয়ান শিশুদের এসব ‘মাইক্রোবায়োম’ মায়ের দেহ থেকে কম প্রবেশ করে। ফলে তাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।

এ বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কেস ওয়েস্টার্ন রিজার্ভ ইইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর শ্যারন মেরোপল। তিনি বলেন, ‘ছড়িয়ে থাকা অতিক্ষুদ্র প্রাণীগুলো ছোটবেলার বিভিন্ন ধরনের রোগের সঙ্গে সম্পর্কিত। এগুলোর মধ্যে রয়েছে অ্যালার্জি, অ্যাজমা, স্থূলতা ও অটিজম-ধরনের মস্তিষ্কের সমস্যা।’

সর্বশেষ গবেষণায় এটা দেখা গেছে যে, স্বাভাবিকভাবে সন্তান জন্মগ্রহণে মায়ের সঙ্গে ত্বকের সংস্পর্শ হয় এবং সঙ্গে সঙ্গে মায়ের দুধ পান করা সম্ভব হয়, যা শিশুর দেহে নানা অতিক্ষুদ্র প্রাণী প্রবেশ করতে সহায়তা করে এবং শিশুর সুস্থতা বজায় রেখে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে। এ বিষয়ে গবেষণাটির ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে বার্থ ডিফেক্টস রিসার্চ জার্নালে।