মেইন ম্যেনু

সিটিকে শিরোপা জেতালেন গোলকিপার

সর্বশেষ তিনি খেলেছিলেন গত বছরের সেপ্টেম্বরে। এরপর আর ম্যানচেস্টার সিটির গোলপোস্টের নিচে দাঁড়ানো হয়নি উইলি কাবালেরোর। দীর্ঘ অপেক্ষার পর মাঠে নামার সুযোগ পেলেন এমন এক ম্যাচে, যেটা কিনা আবার ফাইনাল ম্যাচ। তবে খেলা শেষে ম্যাচের নায়ক যে তিনিই।

কাবালেরোর নৈপুণ্যেই রোববার রাতে লিগে কাপের ফাইনালে লিভারপুলকে টাইব্রেকারে ৩-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে ম্যানচেস্টার সিটি। নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ সমতার পর টাইব্রেকারে তিন-তিনটি স্পট-কিক ঠেকিয়ে দিয়ে সিটিজেনদের জয়ের নায়ক এই আর্জেন্টাইন গোলকিপার।

লন্ডনের বিখ্যাত ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে ম্যাচের ২২ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত ম্যানচেস্টার সিটি। তবে তাদের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ান লিভারপুলের গোলরক্ষক মিগনোলেট। বক্সের সামনে দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে শট নিয়েছিলেন সিটির আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার সার্জিও আগুয়েরো। তবে বল মিগনোলেটের হাতে লেগে পোস্টে বাধা পায়।

৩৩ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল লিভারপুলের সামনেও। কিন্তু বক্সের ভেতর থেকে কটিনহোর ক্রসে মাথা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হন মিলনার। প্রথমার্ধে গোলশূন্য স্কোরলাইনের পর দ্বিতীয়ার্ধের ৪৯ মিনিটে এগিয়ে যায় সিটি। আগুয়েরোর বাড়ানো বল থেকে লিভারপুলের গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন ফার্নান্দো লুইজ রোসা।

৫৯ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করার দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন রাহিম স্টার্লিং। ডেভিড সিলভার বাড়ানো বল বক্সের ভেতর ফাঁকায় পেয়েছিলেন তিনি, সামনে শুধু গোলরক্ষক। কিন্তু বল পোস্টের বাইরে দিয়ে মারেন স্টারলিং।

উল্টো ৮৩ মিনিটে কটিনহোর গোলে সমতায় (১-১) ফেরে লিভারপুর। নির্ধারিত সময়ের শেষ দুই মিনিটে সিটি এগিয়ে যাওয়ার দুটি সুযোগ পেলেও গোল হতে দেননি লিভারপুর গোলরক্ষক। এরপর অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও কোনো গোল না হওয়ায় ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয় টাইব্রেকারে।

আর টাইব্রেকারে লিভারপুলের লুকাস পেজ্জেনি, কটিনহো ও অ্যাডাম লালানার স্পট-কিক ঠেকিয়ে দিয়ে ম্যানচেস্টার সিটির জয়ের নায়ক তো কাবালেরোই। টাইব্রেকারে সিটির হয়ে গোল করেন নাভাস গঞ্জালেজ, আগুয়েরো ও ইয়াইয়া তোরে।