মেইন ম্যেনু

সিনেমা হলে ঢোকার আগে কী জানা জরুরি?

পছন্দের একটা সিনেমা দেখার পর মন এমনিতেই ফুরফুরে হয়ে যায়। তবে সিনেমা দেখতে গিয়ে আপনি যেন অন্যের বিরক্তের কারণ না হন, সেদিকে লক্ষ রাখতেও ভুলবেন না। আরো কিছু বিষয় আছে, যা সিনেমা হলের বিড়ম্বনা থেকে আপনাকে বাঁচিয়ে দিতে পারে। জানতে চান সেগুলো কী? তাহলে উইকিহাউ ওয়েবসাইটের এ তালিকা থেকে জেনে নিন, সিনেমা হলে ঢোকার আগে আপনার কী জানা জরুরি।

কোন সিনেমা দেখবেন ঠিক করেছেন তো?

সিনেমা হলে যাওয়ার আগে ঠিক করে নিন, কোন সিনেমা দেখবেন। আর যে ধরনের সিনেমা আপনি পছন্দ করেন, সেটার টিকেটই কিনুন। না হলে অযথা আপনি বিরক্ত হতে পারেন। এখন তো অনলাইনেই সব সিনেমা হলের তথ্য দেওয়া থাকে। সেখান থেকে আগেই নিজের পছন্দের সিনেমাটি বেছে নিন।

কখন সিনেমার টিকেট কেনা উচিত?

সিনেমার টিকেট আগেভাগেই কেটে রাখা ভালো। না হলে অনেক সময় দেখা যায়, সিনেমা শুরু হয়ে গেলেও আপনি টিকেটের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। কিংবা আপনি আসার আগেই সব টিকেট বিক্রি হয়ে যেতে পারে। তাই একদিন আগেই টিকেটটা কেটে ফেলুন। আজকাল অনলাইনেও টিকেট পাওয়া যায়। যা আপনার সময় অনেকটা বাঁচিয়ে দেবে।

সিনেমা হলে কখন ঢুকবেন?

সব সময় মনে রাখবেন, সিনেমা শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ আগে হলের গেটের সামনে যাবেন। তাহলে আপনাকে আর দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়াতে হবে না। আর ছুটির দিন হলে এমনিতেই ভিড় থাকে। তাই এদিন হাতে সময় রেখে বাসা থেকে বের হবেন। সিনেমা শুরুর অন্তত ১৫ মিনিট আগে হলে ঢোকার চেষ্টা করুন।

কতটুকু স্ন্যাকস কিনবেন?

অনেকে মনে করেন, তিন ঘণ্টার সিনেমা একটু বেশি করে স্ন্যাকস (হালকা খাবার) কিনে নিই। এই চিন্তা করা বোকামি। কারণ, সিনেমা হলের আসনগুলো অনেক ছোট হয়। তাই বেশি খাবার কিনলে রাখার জায়গা পাবেন না। আর আপনার কারণে পাশের আসনের মানুষও বিরক্ত হতে পারে। তাই অল্প কিছু খাবার কিনুন। প্রয়োজন হলে বিরতির সময় আবারও স্ন্যাকস কিনে ফেলুন।

বাইরে থেকে কী খাবার নিতে পারবেন?

অনেক সিনেমা হলে বাইরের খবারের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকে। তাই হলের ভেতর থেকেই স্ন্যাকস কেনা ভালো। তবে আপনি চাইলে হালকা কিছু খাবার নিতে পারেন। যেমন বিস্কুট বা চকলেট। ফাস্টফুড যেমন স্যান্ডউইচ, বার্গার এগুলো হলের বাইরে থেকে না নেওয়াই ভালো। মূল হলে প্রবেশের আগে এসব খাবার বিক্রি হয়।

কোন আসন ভালো?

চেষ্টা করুন সিনেমা হলের মাঝখানের টিকেট কেনার। এখান থেকে সিনেমা ভালো দেখা যায়। এ ছাড়া একেবারে পেছনেও আসন নিতে পারেন। এতে মানুষের পায়ের ধাক্কাধাক্কি আপনার সহ্য করতে হবে না। আর সামনের দিকে না বসাই ভালো। কারণ, এখানে বসে সিনেমা দেখলে আপনার ঘাড় ও চোখ ব্যথা করতে পারে।

ফোন কী করবেন?

সব সময় সিনেমা হলে ফোন নীরব করে ঢোকা জরুরি। না হলে ফোন বেজে উঠলে অন্যরা বিরক্ত হতে পারে। আর ফোন এলে এ সময় ভুলেও রিসিভ করবেন না। যে ফোন করেছে, তাকে ‘পরে ফোন করবেন’ বলে একটা খুদে বার্তা পাঠিয়ে রাখুন।

কথা বলার সময় সতর্ক থাকবেন কেন?

সিনেমা শুরু হলে পাশের সঙ্গীর সঙ্গে যতটা পারুন কম কথা বলুন। কারণ, অকারণেই কথা বললে অন্যের সমস্যা হতে পারে। আর প্রয়োজন হলে অবশ্যই আস্তে কথা বলুন। আর হ্যাঁ, সিনেমা চলাকালে ভুলেও জোরে প্রতিক্রিয়া দেখাবেন না।

সর্বশেষ জরুরি কী?

সব সময় সিনেমা শুরু হওয়ার আগে ওয়াশরুমের কাজ সেরে আসুন। কারণ, সিনেমা শুরু হলে বারবার উঠে যাওয়াটা অস্বস্তিকর। আর পানি এ সময় পারলে একটু কম খান। তাহলে খুব বেশি সমস্যা হবে না।