মেইন ম্যেনু

সিরাজগঞ্জের ৬ পৌরসভায় বিএনপির মনোনয়ন চুড়ান্ত

সিরাজগঞ্জের ৬টি পৌরসভায় বিএনপির একক প্রার্থী চুড়ান্ত করেছে দলটি। সিরাজগঞ্জ পৌরসভায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান বহিস্কৃত মেয়র এ্যাড. মোকাদ্দেস আলী, শাহজাদপুর পৌরসভায় বর্তমান মেয়র ও উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম খান, বেলকুচি পৌরসভায় উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল, রায়গঞ্জ পৌরসভায় উপজেলা বিএনপি নেতা নুর সাঈদ সরকার, উল্লাপাড়া পৌরসভায় বর্তমান পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক মেয়র বেলাল হোসেন ও কাজিপুর পৌরসভায় পৌরসভা বিএনপির সহ-সভাপতি মাসুদ রায়হান মুকুল।

জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক হারুন-অর-রশিদ খান হাসান মনোনয়ন চুড়ান্তে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে সিরাজগঞ্জ পৌরসভা বাদে অন্য পাঁচটি পৌরসভায় একক প্রার্থী সিলেকশন নেতাকর্মীরা মেনে নিলেও সিরাজগঞ্জ পৌরসভায় জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক ও বর্তমান বহিস্কৃত এ্যাড. মোকাদ্দেস আলীকে মনোনয়ন দেয়া তৃনমুল কর্মীসহ সকলের মাঝেই চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

কর্মীদের অভিযোগ, দলের দুঃসময়ে মেয়র থাকাকালীন কর্মীদের পাশে তিনি থাকেনি। আন্দোলনের সময় ঢাকায় পালিয়ে থেকেছেন। কোন কর্মীর খোঁজ খবর নেয়নি। দলীয় কর্মীদের কোন প্রকার সাহায্য-সহযোগিতা করেনি।

তার এসব আচরনের কারণে পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ পুঞ্জিভুত হয়েছে। সরেজমিনে ৯টি ওয়ার্ডের দায়িত্বশীল অনেক নেতার সাথে কথা বললে সকল নেতাকর্মী এধরনের অভিযোগ তুলে ধরেন।

তাদের মতে এ্যাড. মোকাদ্দেসকে কোন কর্মীই মেনে নিতে পারছেনা। ভোটের মাঠে এবারের নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেলেও তার পক্ষে কাজ করার মতো কর্মী খুজে পাওয়া যাবে না। আবার অনেকে বলছেন, দলের টানে কাজ করলেও তাকে ভোটের দিন হিসেব পাল্টে ফেলবে।

২০০৩ সালে দলীয়ভাবে বিএনপি থেকে মঞ্জুর হাসান মাহমুদ খুশীকে মনোনয়ন দেয়ায় নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়। পরে কর্মীরা মঞ্জুর হাসান মাহমুদের পক্ষে কাজ করলেও ভোটের দিনে স্বতন্ত প্রার্থী বিএনপির বহিস্কৃত নেতা টি.আর.এম. নুর-ই-আলম হেলালকে রায় দিয়েছিল। এবারও ওই ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা করছেন নেতাকর্মীরা।