মেইন ম্যেনু

সিল মারার দায়িত্বে এরা কারা?

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও আখাউড়া পৌরসভা নির্বাচনে ‘সাদা টুপি’ ও ‘লাল ফিতা’র পর এবার কসবা পৌরসভা নির্বাচনে জাল ভোট দেয়ার বিশেষ দায়িত্বে রয়েছেন ‘সাদা গেঞ্জিওয়ালা’ যুবক দল। বুধবার সকাল ৮টা থেকে কসবা পৌরসভার ১০টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।

ভোটের প্রথম প্রহরে কিছুটা শান্তিপূর্ণভাবেই ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ভোটাররা। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই কেন্দ্রেগুলো ‘সাদা গেঞ্জি’ পরা যুবকদের দখলে চলে যায়। কেন্দ্র দখল করে মেয়র পদে নৌকা প্রতীকে সিল মারেন তারা।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কসবা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায় সাদা গেঞ্জি পরা একদল যুবক ভোটারদের বের করে দিয়ে পোলিং অফিসারদের সহযোগিতায় প্রকাশ্যে ব্যালট পেপারে সিল মারছেন। শুধু কেন্দ্রেই নয় ভোটকেন্দ্রগুলোর বাইরেও অবস্থান নেয় সাদা গেঞ্জির যুবকরা। ভোটকেন্দ্র দায়িত্বরত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতেই এসব জালভোট চলে।

তবে জাল ভোট প্রদানের বিষয়ে জানতে চাইলে কসবা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার মো. মনির হোসেন অভিযোগটি অস্বীকার করে শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছে বলে জানান।

এদিকে, কসবা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে মেয়র পদে ভোটারদের ব্যালট পেপার দেয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন ভোটার। মেয়র পদে ব্যালট পেপার চাইলে কর্তব্যরত পুলিং অফিসাররা কাউন্সিলর পদে ভোট দিয়ে কয়েকজন ভোটারকে কেন্দ্র ত্যাগ করতে বলেন।

তবে ভোটটারদের অভিযোগ অস্বীকার করেন কসবা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার সাব্বি হাসান।