মেইন ম্যেনু

সুন্দরগঞ্জে তীব্র ভাঙ্গণসহ পানি বৃদ্ধি অব্যাহত: ভাঙ্গণ কবলে শ’শ পরিবার

গাইবান্ধার সুন্দরগগঞ্জে তীব্র নদী ভাঙ্গণসহ অব্যাহ পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ভাঙ্গন কবলে শতাধিক পরিবারের ঘরবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে পড়েছে আরো শ’শ পরিবার।

জানা যায়, উপজেলার কাপাসিয়া ও শ্রীপুর ইউনিয়নের সমন্বিত পোড়ারচর, লাল চামারসহ বিভিন্ন চরে নদী ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি অতি বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢলে তিস্তার ও ব্রহ্মপত্র নদীর চরাঞ্চলসহ দু’কুলবর্তী প্রয় ১৫ হাজার পরিবার পানিবন্ধী হয়ে পড়েছে।

এছাড়া পোড়ার চর ও লাল চামারের চরে ভাঙ্গণের চরের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এ পর্যন্ত শতাধিক পরিবারের বাস্ত-ভিটা নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়েছে আরো শ’শ পরিবার। ভাঙ্গণ ও বন্যা কবলিত মানুষ-জন গৃহপালিত পশু-পাখি, শিশু ও বয়বৃদ্ধদের চরম বিপদ গ্রস্থ হয়ে পড়েছে।

কাপাসিয়া ও শ্রীপুর ইউপি চেয়ারম্যান যথাক্রমে মঞ্জু মিয়া ও নজরুল ইসলাম রাজার সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হলে তাঁরা বলেন- গত কয়েকদিন ধরে নদী ভাঙ্গন অব্যাহত থাকায় পোড়ার চরে তীব্র ভাঙ্গণ দেখা দিয়েছে।

এছাড়া চরাঞ্চলসহ নদীর কুলবর্তী হাজার হাজার মানুষ পরিবার পরিজন পানিবন্ধী হয়ে পড়েছে। এ পর্যন্ত খইম উদ্দিন, রফিকুল, জালাল, তাজুল, সাদা, মেহেরবানু, মফিজ উদ্দিন, সাধা ও তোফাজ্জলসহ শতাধিক পরিবারের বাস্তভিটা নদী গর্ভে বিলীন হওয়ায় এসব পরিবার দুর্বিসহ জীবন-যাপন করছেন। এছাড়া ভাঙ্গন কবলে পড়েছেন আরও শ’শ পরিবার।

এদিকে ভাঙ্গণ ও বন্যা কবলিত পরিবারগুলোর মাঝে কোন ত্রাণ সামগ্রি না পৌঁছায় এসব মানুষজন গৃহপালিত পশু-পাখি, শিশু ও বয়বৃদ্ধদের নিয়ে চরম বিপদ গ্রস্থ হয়েছেন। কাপাসিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মঞ্জু মিয়া দুর্গতদের জন্য ত্রাণ সামগ্রী চেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে আবেদন করবেন বলে জানান।