মেইন ম্যেনু

সুন্দরবনের আগুন ছড়িয়ে পড়েছে ১০ একর জুড়ে

বাগেরহাট: সুন্দরবনে লাগা আগুন ছড়িয়ে পড়েছে বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে। পূর্ব বিভাগের চাঁদপাইরেঞ্জের ধানসাগর স্টেশনের নাংলি ফরেস্ট ক্যাম্পের আব্দুল্লাহর ছিলা, পঁচাকোড়ালিয়া ও নাপিতখালী এলাকায় লাগা আগুন অন্তত ১০ একর এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। থেমে থেমে তা জ্বলছে।

আগুন যাতে বিস্তৃীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে না পারে সে জন্য বনবিভাগ স্থানীয় লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে ১০ একর এলাকায় ফায়ার লাইন কাটার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আগুন নিভাতে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট পানি ছিটিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেছে।

এদিকে, সুন্দরবনে আগুন লাগার ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যেদের কমিটি গঠন করেছে বনবিভাগ। বুধবার বিকেলে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. সাইদুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে এই কমিটি গঠন করেন। কমিটিকে আগামী ১৪ কর্মদিবসের মধ্যে আগুন লাগার কারণ ও আগুনে বনজ সম্পদের কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে ও কত ভূমি পুড়েছে তা চুড়ান্ত করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের চাঁদপাইরেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) বেলায়েত হোসেনকে প্রধান করে ওই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তবে কমিটির অন্য দুই সদস্যের নাম তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ঘোষণা করেননি।

সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. সাইদুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন গিয়ে বলেন, বনে আগুন লাগার ঘটনা তদন্ত করতে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী ১৪ কর্মদিবসের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সুন্দবনের ধানসাগর স্টেশনের নাংলি ফরেস্ট ক্যাম্পের আব্দুল্লাহর ছিলা, পঁচাকোড়ালিয়া ও নাপিতখালীসহ অন্তত পাঁচ এলাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। আগুন নিভাতে ফায়ার সার্ভিসের বাগেরহাটের তিন ইউনিট কাজ করছে। আগুন যেভাবে জ্বলছে তাতে এই জনবল দিয়ে পুরোপুরি নেভানো অসম্ভব। তাই খুলনা ফায়ার সার্ভিসের ইউনিটকে আসতে অনুরোধ করা হয়েছে।

সাইদুল ইসলাম আরও বলেন, যে এলাকায় আগুন লেগেছে সেখানে অল্প কিছু সুন্দরী গাছ রয়েছে। প্রাথমিকভাবে যা দেখা যাচ্ছে এখানে লতাগুল্ম প্রজাতির গাছই বেশি। বিভিন্ন এলাকায় আগুন জ্বলছে। যে এলাকায় আগুন লেগেছে সে এলাকায় ফয়ার লাইন কেটে দেয়া হয়েছে। সুতারাং আগুন আর নতুন এলাকায় বিস্তৃতি লাভ করতে পারবে না।