মেইন ম্যেনু

সুবর্ণচরে এক গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ

এম.এ আয়াত উল্যা, স্টাফ রিপোর্টার, নোয়াখালী : নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরক্লার্ক ইউনিয়ন থেকে কুলছুমা বেগম নাজমা (৩৬) নামের এক গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের পরিবারের অভিযোগ জায়গা নিয়ে বিরোধের জের ধরে নাজমাকে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে কেরানীবাজার এলাকার ফিরোজ গোয়ালের বাড়ী থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত কুলছুমা বেগম নাজমা দক্ষিণ চরক্লার্ক গ্রামের মো. ফিরোজ আলম’এর স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভূমিদস্যুর অব্যাহত হুমকির কারণে কয়েক মাস আগে নাজমার স্বামী ফিরোজ তার সন্তানদের নিয়ে অনত্রে চলে যায়। কিন্তু নিজের ভূমি দখল রাখতে নাজমা দক্ষিণ চরক্লাক গ্রামে তাদের নিজ বাড়ীতে থেকে যায়। শুক্রবার সকাল থেকে ঘর থেকে নাজমার কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে পাশের লোকজন পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে দুপুরে পুলিশ ওই বাড়ীতে পৌঁছে তাদের ঘর থেকে কুলছুমা বেগম নাজমার গলাকাটা মৃতদেহ উদ্ধার করে।

নিহত কুলছুমা বেগম নাজমার বড় বোন হোসনে আরা অভিযোগ করে বলেন, কুলছুমা ভূমিহীন হওয়ায় সে চরক্লার্ক গ্রামে সরকারী খাস ভূমির উপর বাড়ী করে বসবাস করে। বিগত ২বছর আগে কুলছুমার ভূমি পূর্বচরবাটা ইউনিয়নের ভূমিদস্যু জহিরুল হক জোর করে দখল করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে কুলছুমার স¦ামীকে বিভিন্ন মামলা দিয়ে হয়রানি করে। ভূমির দখল নিতে জহিরুল হক কয়েক মাস ধরে কুলছুমার স¦ামীকে হত্যার হুমকিও দিয়ে আসছিল। জহিরুলের ভয়ে কুলছুমার স্বামী ফিরোজ সন্তানদের নিয়ে অনত্রে চলে যায়। কিন্তু কুলছুমা একা এই খানে থেকে যায়।

হোসনে আরা আরো অভিযোগ করে বলেন, ভূমি দখল করার উদ্দেশ্যে জহিরুল তার বোন নাজমাকে জবাই করে হত্যা করেছে। চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ নিজাম উদ্দিন জানান, কুলছুমার মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তাকে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। তবে প্রাথমিক ভাবে হত্যার কারণ এখনো জানা যায়নি। এঘটনায় একটি হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।