মেইন ম্যেনু

সুরক্ষিত কূটনৈতিক জোনে দুর্বৃত্তরা প্রবেশ করলো কিভাবে?

সুরক্ষিত কূটনৈতিক জোন হিসেবে সুপরিচিত গুলশান কি অরক্ষিত? নিরাপত্তা বেস্টনি ভেদ করে অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে দুর্বৃত্তরা কিভাবে স্প্যানিশ রেস্টুরেন্টে প্রবেশ করলো? কারা ছিল নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্বে? তাদের সঙ্গে কি দুর্বৃত্তদের যোগাযোগ ছিল?

শুক্রবার রাতে গুলশান ২ নম্বরের ৭৯ নম্বর রোডের ‘ও কিচেন’ ও হলি আর্টিসান বেকারি নামক স্প্যানিশ রেস্টুরেন্টের ভেতর থেকে সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলিতে বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন আহমেদ ও গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার রবিউল ইসলাম নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। এসময় দেশি-বিদেশি দুই ডজনেরও বেশি মানুষ জিম্মি হওয়ার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে জনমনে এমন নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী সুমন নামে হলি আর্টিসান বেকারির ম্যানেজার জানান, রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টায় ২০ থেকে ২৫ বছর বয়সী ১৫ থেকে ২০ জন যুবক রিভালবার, ধারাল অস্ত্র ও বোমা নিয়ে প্রবেশ করে। তারা আল্লাহু আকবর শ্লোগান দিয়ে ভেতরে ঢুকে ফাঁকা গুলি করে।

রাত পৌনে ২টা পর্যন্ত পাঁচ ঘণ্টা যাবত রেস্টুরেন্টের ভেতর দেশি-বিদেশি দুই ডজনের বেশি গ্রাহক ও রেস্টুরেন্টের কর্মকর্তা কর্মচারী আটকা থাকলেও এখনও পর্যন্ত জিম্মিরা উদ্ধার হননি।

র‌্যাব মহাপরিচালক বলেছেন, যারা জিম্মি করেছেন তারা কি চান তা জানা জরুরি। তিনি জিম্মিকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান চান বলে জানান।

কূটনৈতিক জোনে হামলার ঘটনাটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও ঠাঁই পেয়েছে।