মেইন ম্যেনু

সেই নীলগাই হত্যা নিয়ে ঝড় দেশে, কিন্তু এ খবর শুনে রাজ্যবাসী অবাক হবেন…

গত বছরই ১০৮জন মানুষ পশ্চিমবঙ্গে হাতির আক্রমণে মারা গিয়েছেন। হাতির উপদ্রবে নাজেহাল হলেও পশ্চিমবঙ্গ যে পদক্ষেপ নিতে চলেছে, তা গোটা দেশের কাছে মডেল হতে পারে।

শস্য নষ্ট করার অভিযোগে বিহারে ২৫০-রও বেশি নীলগাইয়ের হত্যা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ফসল নষ্টের দায়ে প্রাণীদের হত্যা করা অমানবিক বলে অভিযোগে সরব হয়েছে পরিবেশপ্রেমীরা। বিহারে যেমন নীলগাইয়ের উপদ্রব, পশ্চিমবঙ্গে তেমন হাতির উপদ্রব। বিহারকে যেমন নীলগাই হত্যার অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার, পশ্চিমবঙ্গকেও একইভাবে হাতি হত্যার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং পরিবেশপ্রেমী মানেকা গাঁধীও যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

কিন্তু হাতির উপদ্রবে নাজেহাল হলেও পশ্চিমবঙ্গ যে পদক্ষেপ নিতে চলেছে, তা গোটা দেশের কাছে মডেল হতে পারে। গত বছরই ১০৮জন মানুষ পশ্চিমবঙ্গে হাতির আক্রমণে মারা গিয়েছেন। তা সত্ত্বেও হাতিকে মারা নয়, হাতি ধরে সমস্যার সমাধান করতে চায় বাংলা। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য বন সংরক্ষক প্রদীপ ব্যাস সংবাদসংস্থাকে জানিয়েছেন, হাতি মেরে নয়, বরং বিজ্ঞানসম্মতভাবে হাতিকে এক এলাকা থেকে অন্যত্র সরিয়ে পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে চায় পশ্চিমবঙ্গ। দু’বছর আগেও রাজ্য সরকার হাতি ধরার জন্য কেন্দ্রের কাছে অনুমতি চেয়েছিল। এবছরও জানুয়ারি মাসে কিছু হাতিকে ধরে অন্যত্র পাঠানোর অনুমতি চাওয়া হয়েছে কেন্দ্রের কাছে। যদিও এখনও কেন্দ্রের তরফে ছাড়পত্র আসেনি।

প্রদীপবাবু জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে এই মুহূর্তে অন্তত ৫০০ থেকে ৬০০ হাতি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেড়াচ্ছে। রাজ্যের বহু মানুষের ফসল, ঘরবাড়ি তো বটেই, এমনকী প্রাণহানির কারণ হয়ে উঠছে তারা। তা সত্ত্বেও সহনশীলতার সঙ্গেই এই সমস্যার মোকাবিলা করতে চায় রাজ্য সরকার।