মেইন ম্যেনু

সেনবাগে শাঁখা সিঁদুর দিয়ে বিয়ে ॥ অতঃপর ৮ মাস অন্তসত্ত্বা, স্বামী অস্বীকার

এম.এ আয়াত উল্যা, স্টাফ রিপোর্টার, নোয়াখালী: নোয়াখালী সেনবাগ উপজেলায় ৯নং নবীপুর ইউপি গোবিন্দপুর সাকিনে এই ঘটনা হয়। ঘটনার বিষয়ে জানা যায় সেনবাগ উপজেলার গোবিন্দপুরের পরেশ চন্দ্র দাসের ছেলে লিটন চন্দ্র দাস মোবাইল ফোনে প্রেম ভালোবাসার মাধ্যমে চট্টগ্রাম জেলার চন্দনাইশ থানাধীনে সাতকানিয়া পুকুর পাড় গ্রামের সুরেশ শর্মার (প্রঃ নিউ মা মনি মিষ্টি ভান্ডার এন্ড রেষ্টুরেন্ট) মেয়ে অনিমা শর্মাকে প্রেম ভালোবাসার অভিনয় করে চট্টগ্রাম থেকে নিয়ে আসে ২৫ মার্চ, ২০১৫ ইং রাত ৮ ঘটিকার সময় নোয়াখালী কবিরহাট থানাধীন দৌলত রামদি সাকিনের আলহাজ্ব ওবায়দুল হক কোম্পানীর বাড়ীতে নিয়া অনিমা শর্মার ইচ্ছা বিরুদ্ধে জোরপূর্বক দীর্ঘদিন আটক করিয়া কবিরহাট উপজেলার দৌলত রামদীপুর (ভূঁইয়ার হাট সাদেক আলী ছেলে শেখ আহাম্মদ সহযোগীতা কোম্পানীর একটি ঘরে নিয়ে আটক করে অনিমা শর্মাকে লিটন চন্দ্র দাস শাখা সিঁদুর পরাইয়া দিয়া বলে যে, অনিমা শর্মা তুমি আমার স্ত্রী, আমি তোমার স্বামী। আমরা দু’জনে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হইয়াছি। পূর্ব পরিকল্পিতভাবে লিটন চন্দ্র দাস অনিমা শর্মাকে ঘরে আটক করে বিবাহের বিশ্বাস দেখাইয়া জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। সেই ঘরে দীর্ঘ দিন আটক করে ধাপে ধাপে বর্তমানে অনিমা শর্মা ৮ মাসের গর্ভবতী হয়। লিটন চন্দ্র দাস অনিমা শর্মাকে মিথ্যা ঠিকানা দিয়ে বিবাহ করে। পরে প্রতারণার করে লিটন চন্দ্র দাস পালিয়ে যায়। অনিমা শর্মা স্থানীয় লোকজনের সহযোগীতায় লিটন চন্দ্র দাসের ঠিকানা সংগ্রহ করিয়া ১৬ মার্চ ২০১৬ ইং তারিখ সকাল ১১.৩০ ঘটিকার সময় নারী ও শিশু দমন ট্রাইব্যুনাল, নোয়াখালীতে একখানা নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলা দায়ের করে বলেন অনিমা শর্মা একজন সহজ, সরল আইনমান্যকারী। অপরদিকে লিটন চন্দ্র দাস ও তার বন্ধু শেখ আহাম্মদ নারী নির্যাতনকারী, দুষ্ট নারী ধর্ষনকারী, নারী পাচারকারী, দেহ ব্যবসায়ী নেশাগ্রস্থ লোক হয় বলে জানান। আদালতে উপস্থিত মোঃ মাহতাব হোসেন বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, নোয়াখালী দীর্ঘক্ষণ মামলার কাগজপত্রাদি পর্যালোচনা ও শুনানীর শেষে মামলাটি আমনে নিয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন ও ডাক্তারী পরীক্ষা নিরীক্ষা সহ আগামী ৭ কার্যের দিবসের মধ্যে প্রেরণের আদেশ দেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেনবাগ থানাকে, আদালতের নাঃ শিঃ নিঃ মামলা নং-৩৩০/২০১৬ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ৯(১)/৩০ ধারা ধর্ষনের ধারা। এই দিকে মামলায় আরো জানা যায় ১১ মার্চ ২০১৬ইং তারিখে অনিমা শর্মা মামলার এজহার সেনবাগ থানায় নিয়ে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ মামলা গ্রহণ করে নাই। থানা কর্তৃপক্ষ বলেন কোর্ট থেকে কাগজপত্র ফেলে বা আদালতের কোন আদেশ ফেলে ব্যবস্থা নিবেন পুলিশ।