মেইন ম্যেনু

ঈদের জামা কাপড় সেলাইতে গিয়ে

সেনবাগে ৬ষ্ঠ শ্রেণীর স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ ॥ থানায় মামলা

নোয়াখালী সেনবাগ উপজেলার অর্জুনতলা ৫নং ইউপি ছিলোনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের উত্তর পার্শ্বে রাজুর টেইলারী দোকানের ভিতরে এই ঘটনা ঘটে। ধর্ষণের ঘটনায় ভিকটিমের মাতা বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী-০৩) এর ৯ (১)/৩০ ধারায় ও জোরপূর্বক ধর্ষন ও সহায়তা করার অপরাধে মামলা করে। মামলার সূত্রে জানা যায়, সেনবাগ উপজেলা নাজিরনগর আবদুল মতিনের মেয়ে লায়লা আক্তার পান্না ১৪ কে একই উপজেলার ইদিলপুরের, নুর হোসেন তবারক আলী প্রকাশ পাকিস্তানীর ছেলে টেইলার রাজু (২৫) ও তার ২ বন্ধু শাহাদাত হোসেন ও রবিন সহযোগীতায় লায়লা আক্তার পান্না ১৪ কে তাহার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষন করে। আরও জানা যায়, নাবালিকা লায়লা আক্তার পান্না ছিলোনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী। স্কুলের পার্শ্ববর্তী স্থানে আসামী রাজু টেইলারিং দোকান ঘর রহিয়াছে। লায়লা আক্তার পান্নার পরিবারের লোকজনের কাপড় চোপড় রাজু টেইলারিং দোকানে সেলাই করিয়া থাকে। গতকাল সকাল ৯ ঘটিকার সময় প্রতিদিনের ন্যায় লায়লা আক্তার পান্না স্কুলে যায়। সাথে মায়ের ব্লাউজ, পেটিকোট এবং তাহার ঈদের পোষাক ছেলোয়ার, কামিজ সেলাই করার জন্য কাপড় নিয়া আসামীর রাজুর দোকানে সেলাই করিতে যায়। দুপুর অনুমান ২ টা স্কুল ছুটির পর বাড়ীতে ফেরার পথে আসামী রাজু তাহাকে টেইলারিং দোকানে ডাকিয়া নেয় এবং একটি শপিং ব্যাগ দিয়া কাপড় সেলাই হয়েছে ৩৫০/- টাকা মজুরী লাগবে জানান। লায়লা আক্তার পান্না শপিং ব্যাগে মায়ের ব্লাউজ ও তার ঈদের জামা-কাপড় না দেখিয়া আসামী রাজুকে ব্লাউজের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করে এবং তার নিকট ৩৫০/- টাকা নাই জানাইলে আসামী রাজু সেলাই করিয়া দিবে বলিলে, সে বাড়ীতে চলে আসে। বিকাল অনুমান ৫ ঘটিকার সময় ৩৫০/- টাকা নিয়া সেলাইকৃত কাপড়- চোপড় আনার জন্য ছিলোনিয়া বাজারে আসামীর রাজুর দোকানে তাহার মা মামলার বাদী তাহেরা বেগমে পাঠায়। ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী তাহার মেয়ে লায়লা আক্তার পান্নাকে। আসামী রাজুর টেইলারিং দোকানে পৌঁছে রাজুকে কাপড়-চোপড় দেওয়ার জন্য বলিলে, সে সেলাই হইতেছে বলে জানায় এবং দেই দিচ্ছি বলিয়া কালক্ষেপন করিতে থাকে। রাত অনুমান ১০ টার সময় আসামী রাজু তাহার দোকানের কর্মচারীকে বিদায় করিয়া দেয় এবং দোকানের সার্টার ফেলিয়া ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী নাবালিকা লায়লা আক্তার পান্নাকে তাহার দোকানের পিছনে কক্ষে নিয়া যায় ও তার শরীরের বিভিন্ন র্স্পকতার স্থানে হাত দিয়া চাপাচাপি করে এবং নাবালিকা মেয়েটি চিৎকার দিতে চাহিলে টেইলার রাজু বিভিন্ন ভয়ভীতি প্রদর্শন করিয়া ফুসলাইয়া এবং তাহার গায়ের স্কার্ফ দিয়া মুখ বাধিয়া জোরপূর্বক চৌকির উপর শোয়াইয়া পরনের সেলোয়ার কামিজ খুলিয়া তাহার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক একাধিকবার ধর্ষন করে। সকালে ভিকটিমের চিৎকার শুনে বাজারের লোকজন আসামীর রাজুকে আটকের চেষ্টাকালে আসামী রাজু কৌশলে পালাইয়া যায়। বাজারের লোকজন স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করে তার পরিবারের লোকজনকে সংবাদ দিলে ঘটনারস্থলে আসে। পরিবারের লোকজন ভিমটিমকে জিজ্ঞাসাবাদ করিলে, সে উপরোক্ত ঘটনা জানায়। সে আরো জানায় আসামী শাহাদাত হোসেন এবং রবিনকে দোকানের আশেপাশে ঘুরাঘুরি করিতে দেখিয়াছে।