মেইন ম্যেনু

সেন্টমার্টিনে আটকেপড়া জাহাজটি উদ্ধার হয়েছে

কক্সবাজারের টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে ডুবোচরে আটকেপড়া সাড়ে সাত শতাধিক পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিন ত্যাগ করেছে পর্যটকবাহী জাহাজ এলসিটি কাজল। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় জাহাজটি টেকনাফের উদ্দেশ্যে সেন্টমার্টিন ত্যাগ করে।

সকালে টেকনাফ থেকে ছেড়ে যাওয়ার পর বঙ্গোপসাগরের নাইক্ষ্যংদিয়ায় ডুবোচরে প্রায় ৫ ঘণ্টা আটকে পড়ার পর বিকেল ৫টার দিকে সেন্টমার্টিন জেটিঘাটে এসে পৌঁছায় পর্যটকবাহী জাহাজ এলসিটি কাজল।

সেন্টমার্টিনের কোস্টগার্ড সূত্র জানায়, সেন্টমার্টিন থেকে বেশ কয়েক কিলোমিটার দূরে বঙ্গোপসাগরে ডুবোচরে পর্যটকবাহী জাহাজটি পড়ে। এরপর বিকেল ৪টার দিকে স্থানীয় কিছু ট্রলার ও গামবোট নিয়ে আড়াইশ পর্যটককে সেন্টমার্টিন নিয়ে আসা হয়। বাকিরা জোয়ার আসার পর জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হলে বিকেল ৫টার দিকে ওই জাহাজেই সেন্টমার্টিন পৌঁছান।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মুজিবুর রহমান জানান, জাহাজটি সেন্টমার্টিন পৌঁছার পর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি জাহাজের জেনারেটরটির একটু সমস্যা হয়েছে। এটি মেরামত করে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পর্যটকদের নিয়ে টেকনাফের উদ্দেশে রওনা হয় জাহাজটি।

ওই জাহাজে থাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইমরান হাসান মুঠোফোনে জানান, সাগরে মাঝ পথে পৌছালে জাহাজটি আটকা পড়ার পর পর্যটকরা কান্নাকাটি করে। পরে জাহাজটি বিকেলে দ্বীপে গেলেও ফেরা নিয়ে সবাই উদ্বিগ্ন ছিল। আল্লাহর নামে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় আমরা রওয়ানা হয়েছি।

এদিকে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শফিউল আলম বলেন, জাহাজটিতে অতিরিক্ত যাত্রী বহনের বিষয়টির খোঁজ-খবর নেয়া হচ্ছে। বার বার এসব জাহাজের ত্রুটির কারণে প্রশাসনকে উদ্বিগ্ন থাকতে হয়। এর একটি স্থায়ী সমাধান খোঁজা হচ্ছে।

সন্ধ্যার পর্যন্ত এলসিটি কাজল জাহাজের ব্যবস্থাপক আবদুর রহিম খোকার মুঠোফোনে বন্ধ থাকায় তাদের কোনো বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

উল্লেখ্য, বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন যাওয়ার পথে পর্যটকবাহী জাহাজ এলসিটি কাজল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সাগরের ডুবোচরে আটকা পড়ে। ওই জাহাজে সাড়ে ৭ শতাধিক পর্যটক ছিল। যা ধারণক্ষমতার দ্বিগুন বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।