মেইন ম্যেনু

সেপ্টেম্বরে প্রতিটি উপজেলায় ফাইবার অপটিক কেবল

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ‘চলতি বছরে সেপ্টেম্বরের মধ্যে আইসিটি ডিভিশনে নিজস্ব নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ইনফো সরকার-২ প্রজেক্টের আওতায় প্রতিটি উপজেলায় ফাইবার অপটিক কেবল পৌঁছে দেব। যেন প্রত্যন্ত অঞ্চলের ছাত্ররা শিক্ষা-স্বাস্থ্য-চিকিৎসা এবং কৃষি সেবা সম্পর্কে জেনে নিজেদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারে।’

বুধবার রাজশাহীর নানকিং বাজার প্রাঙ্গনে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস), তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ এবং গ্রামীণ ফোনের আয়োজনে বাংলাদেশ ইন্টারনেট উইক ২০১৫ উৎসবের উদ্বোধন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘দেশব্যাপী দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেয়া, নেটওয়ার্ক বিল্ডিং, হিউম্যান রিসোর্স তৈরি করা, ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রমোশন করা এবং উপজেলা পর্যায়ে থ্রিজি সেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষে আমরা কাজ করে চলেছি।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষা নগরী খ্যাত রাজশাহীকে আমরা একটি ডিজিটাল নগরী হিসেবে তৈরি করতে চাই, আইসিটি নগর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আর সেই পরিাকল্পনা নিয়ে আমরা রাজশাহীতে ৩৭ একর জায়গার ওপর বরেন্দ্র আইটি সিলিকন ভ্যালি তৈরি করছি। যেখানে রাজশাহীর হাজারো শিক্ষার্থী আইসিটির যোগ্য কর্মী হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাবে।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার জন্য যেসব হাতিয়ার তৈরি করে তার মধ্যে একটি হলো আইসিটি। বাংলাদেশে ইন্টারনেট এবং মোবাইলের প্রসার এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে এর ব্যবহার করার লক্ষ্যে ঘরে ঘরে ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইন্টারনেট ও প্রযুক্তির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।’

উৎসবে অংশ নেয় ই-কমার্স, ওয়েব পোর্টাল, মোবাইল অ্যাপলিকেশন ও সারাদেশের স্থানীয় মোবাইল ভিত্তিক উদ্যোগ। ফলে দর্শনার্থীরা এসব সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া সরাসরি দেখতে ও জানতে পারেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বেসিসের সভাপতি শামীম আহসান, বাংলাদেশ কজম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক এসএম আশরাফুল, গ্রামীণ ফোনের চিফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মাহমুদ হোসেন, বেসিসের সিনিয়র সহসভাপতি ও বাংলাদেশ ইন্টারনেট উইক ২০১৫ এর আহ্বায়ক রাসেল টি আহমেদ।

প্রসঙ্গত, ঢাকা, রাজশাহী ও সিলেটের বড় উৎসবের পাশাপাশি ৫ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর দেশের সবক’টি উপজেলায় এই উৎসব পালন করা হচ্ছে। উৎসবের অংশ হিসেবে প্রায় অর্ধশত বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন কর্মশালা, সেমিনার এবং দেশের গণমাধ্যমগুলোতে অন্তত সাতটি পলিসি বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। আর এর মাধ্যমে ইন্টারনেট প্রবৃদ্ধির হার বাড়িয়ে প্রতি বছর এক কোটি ইন্টারনেট গ্রাহক বাড়ানো, সাধারণ জনগণকে আরও বেশি অনলাইন সেবার আওতায় আনাসহ তথ্যপ্রযুক্তি ও ইন্টারনেট ভিত্তিক উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিতকল্পে এগিয়ে যাওয়াই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।



« (পূর্বের সংবাদ)