মেইন ম্যেনু

সৈয়দপুরে ২১ জন গ্রেফতার, ১৩ জনের অর্থদন্ড

নীলফামারির সৈয়দপুর থানা পুলিশ আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখাসহ অপরাধ নিয়ন্ত্রণে তাদের অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
গত ১০ দিনে থানা পুলিশ বিভিন্ন অপরাধে শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে ২১ জনকে গ্রেফতার করেছে। এদের মধ্যে তাৎক্ষণিক বিচারে ১৩ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থদন্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন মামলার ৬ জন পলাতক আসামী, একজন নিয়মিত মামলায় এবং অপর ১ জনকে ৫৫ ধারায় গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইসমাইল হোসেনের নেতৃত্বে ওইসব আসামীদের গ্রেফতার করে পুলিশ।

সূত্র জানায়, মাদক, জুয়া, আমাজিক কর্মকান্ড, যৌন হয়রানিসহ বিভিন্ন অভিযোগে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এদের মধ্যে ৯ জনের ২৩ হাজার টাকা অর্থদন্ড ও ৪ জনকে ৮ মাস ১ দিন কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

আদালতে দন্ডপ্রাপ্তরা হলো অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার দায়ে কিশোরগঞ্জ জেলার নিকলী উপজেলার বোরহান উদ্দিন(২০) ও একই এলাকার নাসরিন সুলতানাকে (১৭) ৩ হাজার, একই এলাকার আরমানের (২৭) ৩ হাজার, নতুন বাজার এলাকার সাকিল (৩২) ৩ হাজার, হাতিখানাএলাকার মাসুম (৩০) ২ হাজার, পুরাতন বাবুপাড়ার নেক মোহাম্মদ (৩০), সাহেবপাড়ার সামসাদ (২৮) ও হাতিখানা ক্যাম্পের ইমরান (২৪) ২ হাজার করে ৬ হাজার টাকা জরিমানা করেন আদালত্ এছাড়া মুন্সিপাড়া এলাকায় আনোয়ার হোসেন দুলালকে (২৮) ৩ মাস ও রসুলপুর এলাকার শামিম ওরফে শাহিনকে (৩০) এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেন আদালত।

আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সালেহ মো. মুসা জঙ্গী ওইসব রায় ঘোষণা করেন। এদিকে নিয়মিত মামলায় গ্রেফতার হয়ে এখন হাজতবাস করছে মুন্সিপাড়া এলাকার রনি (৩৫) এবং সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার রাসেল (২৮)।
অপরদিকে বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামী হিসেবে গ্রেফতার হয়ে যারা বর্তমানে হাজতে রয়েছে তারা হলো, ঢেলাপীর এলাকার ইমরান (২৫), ইসলামবাগের কোরবান হোসেন (২৮), সাহেবপাড়া এলাকার শামিম (৩০), অফিসার্স কলোনীর সুরুজ মিয়া (২২), মুন্সিপাড়ার সোহেল রানা (৩৫) ও হাতিখানার মাসুদ রানা (২১)। তবে সৈয়দপুরের ফেন্সি সম্রাট ও হেরোইন সম্রাটদের গ্রেফতার করছেন না বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।
থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইসমাইল হোসেন জানান, সৈয়দপুরে আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ রাখাসহ অপরাধীদের ধরতে তাদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত থাকবে।