মেইন ম্যেনু

সোনাইমুড়িতে রূপালী ব্যাংকে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাৎ, ব্যবস্থাপক পলাতক

এম.এ আয়াত উল্যা, স্টাফ রিপোর্টার, নোয়াখালী : নোয়াখালীতে রূপালী ব্যাংক লিঃ আমিশাপাড়া শাখার ব্যবস্থাপক মো. বেলায়েত হোসেন দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে গ্রাহকদের হিসাবের স্থিতিতে গরমিল ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর থেকে ওই ব্যবস্থাপক পলাতক রয়েছেন। তবে কি পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। এ বিষয়ে নোয়াখালী রূপালী ব্যাংক জোনাল অফিসে একটি তদন্ত চলমান রয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে ওই এলাকায় ব্যাংকের টাকা আত্মসাতের খবরের প্রেক্ষিতে আতংকে বুধবার (০৪ মে) আমিশাপাড়া রূপালী ব্যাংক শাখার অনেক গ্রাহক তাদের সঞ্চয়ী হিসাবে জমাকৃত টাকার সঠিক হিসাব জানার জন্য ভিড় করছেন। রূপালী ব্যাংক নোয়াখালী জোনাল অফিস সূত্রে জানা যায়, নোয়াখালী জোনাল অফিসের অধীনস্থ রূপালী ব্যাংক লিঃ আমিশাপাড়া শাখা। এ শাখায় প্রিন্সিপাল অফিসার (সাময়িক বরখাস্তকৃত) মো. বেলায়েত হোসেন ২১ অক্টোবর ২০১২ থেকে ২৪ এপ্রিল ২০১৬ পর্যন্ত শাখা ব্যবস্থাপক হিসাবে দায়িত্বরত ছিলেন। তিনি সোনাইমুড়ি উপজেলার জয়াগ ইউনিয়নের মৃত আবদুর রবের ছেলে। ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি আমিশাপাড়া শাখার ব্যবস্থাপক মো. বেলায়েত হোসেনকে নোয়াখালী জোনাল অফিসে বদলী করা হয়। আমিশাপাড়া শাখার ছাড়পত্র অনুযায়ী ২৫ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে তিনি বদলীকৃত কর্মস্থলে যোগদান করার কথা থাকলেও ৪ মে পর্যন্ত তিনি কর্মস্থলে যোগদান করেননি। তার যোগদান না করা এবং ইতিমধ্যে ওই শাখার কয়েকজন গ্রাহকের হিসাবে স্থিতিতে গরমিল পাওয়া গেছে। যা প্রিন্সিপাল অফিসার মো. বেলায়েত হোসেন (সাবেক ব্যবস্থাপক) দায়িত্বরত সময়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে। বিষয়টি বর্তমানে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তদন্ত করছে। কি পরিমাণ টাকা কিভাবে আত্মসাৎ করা হয়েছে তদন্ত শেষে জানা যাবে। রূপালী ব্যাংক নোয়াখালী জোনাল অফিসের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. শাহেদুর রহমান জানান, ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী আমিশাপড়া শাখার ব্যবস্থাপক মো. বেলায়েত হোসেনকে জোনাল অফিসে বদলী করা হয়। কিন্তু তিনি নতুন কর্মস্থলে যোগদান না করায় এবং ওই শাখায় গ্রাহকের হিসাবে গরমিলের প্রেক্ষিতে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বিষয়টি বর্তমানে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তদন্ত করছে। কি পরিমাণ টাকা কিভাবে আত্মসাৎ করা হয়েছে তদন্ত শেষে প্রকৃত বিষয়টি বের হয়ে আসবে। তবে তিনি কর্মস্থলে যোগদান না করে আত্মগোপনে থাকায় এ বিষয়ে সোনাইমুড়ি থানায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলেও উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন।