মেইন ম্যেনু

রয়টার্সের প্রতিবেদন :

সোনালী ব্যাংকের অর্থ চুরিতেও সুইফট

ভুয়া সুইফট মেসেজের মাধ্যমে তিন বছর আগে দেশের রাষ্ট্রায়াত্ত সোনালী ব্যাংকের আড়াই লাখ ডলার(প্রায় ২শ` কোটি টাকা ) হাতিয়ে নেয়া হয়। সে সময়ে সুইফট কর্তৃপক্ষকে বাংলাদেশ বিষয়টি জানিয়েছিল। তবে তুরস্কে পাচার হওয়া ওই অর্থ আর ফেরত আনা সম্ভব হয়নি। সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আর্থিক জালিয়াতি নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে সুইফট কোড ব্যবহার করে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রায় ৮শ` কোটি টাকা (৮ দশমিক ১০ মিলিয়ন ডলার) চুরি হয়।

এই ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে ২০১৩ সালে সোনালী ব্যাংকের এই আর্থিক জালিয়াতির ঘটনা পেয়েছে বলে বুধবার রয়টার্সকে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে।

সোনালী ব্যাংক জানিয়েছে, ২০১৩ সালে এই ঘটনার পর বিষয়টি সুইফটকে জানানো হয়। এরপর তুরস্কে পাচার হওয়া ওই অর্থ উদ্ধারের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়।

সোনালী ব্যাংকের সিনিয়র এক কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ চুরির সময় সুইফট কোড ব্যবহার করে যে পন্থা অবলম্বন করা হয়েছিল, সে সময়েও একই পন্থা নিয়েছিল সাইবার চক্রটি।

আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীও সোনালী ব্যাংকের ওই ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত কেউ বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরিতে জড়িত কি না তা তদন্ত করে দেখছে।

সোনালী ব্যাংকের আইটি দেখাশুনা করেন, এমন ব্যক্তি জানান, হ্যাকাররা সোনালী ব্যাংকের কম্পিউটারে একটি কি-লগার সফটওয়্যার ইনস্টল করে সিস্টেম পাসওয়ার্ড পেয়ে যায়। এরপর তারা অর্থ হস্তান্তরে সুইফটের কাছে ভুয়া অনুরোধ পাঠায়।

তাৎক্ষণিকভাবে সে সময়ে পুলিশ এই জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত প্রমাণ পেয়ে ব্যাংকের দুই কর্মকর্তাকে আটক করেছিল। কিন্তু কোনো ধরনের অভিযোগ গঠন ছাড়াই পরে তারা ছাড়া পেয়ে যান।

সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রদ্বীপ কুমার দ্ত্ত রয়টার্সকে বলেন, হামলাকারী সম্পর্কে তেমন কিছু জানা যায়নি এবং অর্থও উদ্ধার সম্ভব হয়নি।