মেইন ম্যেনু

সোয়া লাখ মুসল্লির জন্য প্রস্তুত জাতীয় ঈদগাহ

দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনা শেষে রাত পোহালেই আগামীকাল বৃহস্পতিবার খুশির ঈদ। প্রতি বছরের মতো এবারও দেশের প্রধান ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায়।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, রাজনীতিবিদসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে অংশ নেবেন।

জানা গেছে, এবার জাতীয় ঈদগাহে পাঁচ হাজার নারীসহ এক সঙ্গে এক লাখ ২০ হাজার মুসল্লির নামাজ পড়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। নারীদের জন্য রয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। কর্তৃপক্ষ জানান, মাঠে তাদের জন্য থাকছে আলাদা নামাজের জায়গা। মাজারের রাস্তাটি নারীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

এদিকে মঙ্গলবার জাতীয় ঈদগাহের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করছেন ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াসহ সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তারা। সার্বিক নিরাপত্তার খাতিরে ঈদ জামাতে জায়নামাজ ছাড়া অন্য কিছু সঙ্গে না আনার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

এক সঙ্গে এক লাখ ২০ হাজার মুসল্লির চাপ সামলাতে সব রকমের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। একসঙ্গে ১৪০ জনের ওজুর ব্যবস্থাও করা হয়েছে। থাকবে মোবাইল টয়লেটও।

নির্দিষ্ট সময়ের আগেই মাঠ প্রস্তুত করতে ২শ শ্রমিক কাজ করেছেন। ২৮ রমজানের মধ্যেই মাঠের যাবতীয় কাজ শেষ করে কর্তৃপক্ষ।

বাঁশ দিয়ে তৈরি মূল অবকাঠামোকে বৃষ্টি প্রতিরোধী সামিয়ানা দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়েছে। ফলে বৃষ্টি আসলেও মুসল্লিদের নামাজে কোনো সমস্যা হবে না। পানি নিষ্কাশনের জন্য রয়েছে পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা। মুসল্লিদের সুবিধার্থে ভ্রাম্যমাণ টয়লেট থাকবে ঈদগাহ মাঠে। মাজারের টয়লেট ব্যবহার করবেন ভিআইপিরা।

২৯ রমজানের মধ্যে মাঠে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে যাবতীয় ইলেকট্রিক ওয়্যারিংয়ের কাজ শেষ করা হয়। এবার ঈদগাহ মাঠে ৭শ সিলিং ফ্যান, ৪৬০টি লাইট, ৫৪টি মেটাল লাইট এবং ৭০টির মতো মাইক লাগানো হয়েছে মাঠের বিভিন্ন প্রান্তে।

ঈদগাহ মাঠে গেট থাকবে তিনটি। মূল গেট ছাড়াও দক্ষিণ পাশে এবং মাজারের দিকে একটি গেট করা হয়েছে।

মুসল্লিদের নিরাপত্তা দিতে মাঠে তৈরি করা হয়েছে পুলিশের দুইটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ। নিরাপত্তার স্বার্থে ঈদগাহ মাঠ ও এর আশপাশে লাগানো হয়েছে ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরাসহ অন্যান্য আধুনিক সরঞ্জামাদি। ভিআইপিদের জন্য ভেতরে প্রায় ৩ হাজার বর্গফুট আলাদা নিরাপত্তা বেষ্টনি তৈরি করা হয়েছে।