মেইন ম্যেনু

সৌদি এয়ারলাইন্সের ৩০ হাজার টিকিট এখনো দুই এজেন্সির কব্জায়!

আসন্ন হজ মওসুমে সৌদি এয়ারলাইন্সের হজের টিকিটের দাম চড়া হতে পারে। হজ নীতিমালা-২০১৬ অনুসারে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট এক লাখ এক হাজার ৭শ’৫৮ জন হজগমনেচ্ছুর শতকরা ৫০ ভাগ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও অবশিষ্ট ৫০ ভাগ সৌদি এয়ারলাইন্সযোগে সৌদি যাবেন। চলতি বছর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় নির্ধারিত ৯১ হাজার ৭শ’৫৮ জন পরিবহন করবে ৪শ’৮৩টি এজেন্সি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে হজ এজেন্সিস অব বাংলাদেশ (হাব) এর একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, সৌদি এয়ারলাইন্সের মোট ৫০ হাজার টিকিটের মধ্যে ৪৮ হাজার টিকিট মাত্র ১০টি হজ এজেন্সির হাতে চলে গেছে। শুধু তাই নয়, মাত্র দুটি এজেন্সির কব্জায় রয়েছে ৩০ হাজার টিকিট। এজেন্সির সংখ্যা বৃদ্ধি করতে বাকি তিন হাজার টিকিট বিভিন্ন এজেন্সিকে ১শ’ থেকে ২শ’টি করে ভাগ করে দেয়া হচ্ছে বলে তারা জানান।

তাদের অভিযোগ, দুটি ট্রাভেল এজেন্টের সঙ্গে (এস ও কে আদ্যক্ষর দিয়ে শুরু ট্রাভেল এজেন্ট) অংশীদারি ব্যবসায় জড়িত সৌদি এয়ারলাইন্সের এক শীর্ষ কর্মকর্তা (নামের আদ্যক্ষর ইংরেজি আর) এই সিন্ডিকেট ব্যবসার সুযোগ করে দিয়েছেন। তারা বিষয়টি সপ্তাহখানেক আগে ধর্ম মন্ত্রণালয় ও বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়কে জানালেও এখনো পর্যন্ত কোনো সুরাহা হয়নি।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১০ সেপ্টেম্বর এবারের হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। আগস্টের প্রথম সপ্তাহ (৪ আগস্ট) থেকে হজ ফ্লাইট শুরু হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩ আগস্ট আশকোনা হজক্যাম্প উদ্বোধন করবেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হাতেগোনা কয়েকটি হজ এজেন্সির হাতে টিকিট চলে যাওয়ায় ইতিমধ্যেই সৌদি এয়ারলাইন্সের টিকিটের চড়া দাম হাঁকা শুরু হয়ে গেছে। টিকিট প্রতি দুই থেকে পাঁচ ছয় হাজার টাকা বেশি হাঁকা হচ্ছে।

টিকিট সিন্ডিকেটের কব্জায় দেয়ার অভিযোগের ব্যাপারে হাবের সভাপতি ইব্রাহিম বাহারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সুষ্ঠু নীতিমালার ভিত্তিতে হজের টিকিট এজেন্সিগুলোর মধ্যে বিতরণ হওয়া আবশ্যক।

এ ব্যাপারটি বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় খেয়াল রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তবে সুনির্দিষ্টভাবে কারও কাছে টিকিট থাকার বিষয়টি নিয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

অভিযোগের ব্যাপারে সৌদি এয়ারলাইন্সের দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তা কথা বলেতে রাজি হননি।