মেইন ম্যেনু

স্কুলের গেট থেকে ছাত্রী অপহরণ

রাজশাহী: রাজশাহীর বাগমারায় স্কুলের গেটের সামনে থেকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে এক ছাত্রীকে অপহরণ করেছে কয়েক বখাটে। এর একঘণ্টা পর ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করেছে তার আত্মীয়-স্বজনেরা। পরে অপহরণের কাজে ব্যবহৃত মাইক্রোবাস ও চালককে আটক করে পুলিশ। তবে পালিয়ে গেছে অপহরণকারী বখাটেরা।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহী বাগমারায় এ ঘটনা ঘটে।

আটক চালকের নাম তফিজুল ইসলাম (২৬)। এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার ভবানীগঞ্জ সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক ছাত্রী (১৫) বিদ্যালয়ে পরীক্ষা দেয়ার জন্য যাচ্ছিল। সকাল সাড়ে নয়টার দিকে বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে পৌঁছলে ভবানীগঞ্জ পৌরসভার হেদায়েতী পাড়া মহল্লার মোসলেম আলীর বখাটে ছেলে সুমন (১৯) তার পাঁচ-ছয় জন সঙ্গী নিয়ে মেয়েটির গতিরোধ করে।

তারা ধারাল অস্ত্রের মুখে তাকে তাদের ভাড়া করা মাইক্রোবাসে উঠায়। এ সময় ছাত্রী চিৎকার শুরু করলে তার মুখে কাপড় দিয়ে চেপে ধরা হয়। একপর্যায়ে তাকে সাদা রঙের ওই মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। পরে বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা ছাত্রীর পরিবারের কাছে খবর পাঠালে তারা উদ্ধারে তৎপর হয়।

ছাত্রীর বাবা জানান, মাইক্রোবাসটি নওগাঁর দিকে যাচ্ছে জেনে তিনিসহ তার আত্মীয়-স্বজন মোটরসাইকেল নিয়ে পিছু নেন। প্রায় এক ঘণ্টা পর রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কের মান্দার সাবাইহাট এলাকা থেকে লোকজনের সহায়তায় মাইক্রোবাস আটক করা হয়। এ সময় মাইক্রোবাসে থাকা দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। তারা তাকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাতের চেষ্টা করে।

তবে মাইক্রোবাসসহ চালককে আটক করা হয়। পরে থানায় খবর দেয়া হলে বাগমারা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অপহরণের সঙ্গে জড়িত মাইক্রোবাস চালক তফিজুলকে আটক ও অপহৃত ছাত্রীকে উদ্ধার করে।

বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিয়ার রহমান জানান, এ বিষয়ে ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ঘটনার মূল হোতা সুমনসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেছে। এই মামলায় পুলিশ মাইক্রোবাসসহ তার চালককে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে।