মেইন ম্যেনু

স্ট্যামিনা বাড়াতে যা করবেন

স্ট্যামিনা (কষ্টসহিঞ্চুতা, সহনশক্তি, মনোবল) বলতে শুধু একটি কাজ করার জন্য শক্তি ও কর্মচাঞ্চল্যতাকেই বোঝায় যায় না। এটি অসুস্থতা এবং চাপের বিরুদ্ধেও কাজ করে। যাদের শরীরে স্ট্যামিনা বেশি থাকে তারা একনাগাড়ে দীর্ঘক্ষণ কাজ করতে পারে, ক্লান্তি আসে কম। পুষ্টিবিদ ও দেহ বিশেষজ্ঞ মাইক জ্যাকসন স্টামিনা বাড়ানোর কিছু টিপস দিয়েছেন।

শারীরিক পরীক্ষা: আপনার প্রিয় ক্রীড়াবিদের মতো যদি স্ট্যামিনা বাড়ানোর ইচ্ছা থাকে, তাহলে প্রাথমিকভাবে একটি মেডিকেল পরীক্ষার মাধ্যমে শুরু করতে পারেন। এই পরীক্ষার মাধ্যমে আপনি শারীরিকভাবে কতটুকু উপযুক্ত তা বুঝতে পারবেন। বিশেষ করে অসুস্থতা, অবসাদ এবং অন্যান্য সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারবেন কি-না তা বুঝতে পারবেন।

সুষম খাবার: স্ট্যামিনা তৈরি করতে শুধু ব্যায়ামের ওপর নির্ভর করলে হবে না, খাবারের দিকেও বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে। আপনার খাদ্য তালিকায় কম চর্বিযুক্ত সুষম খাবার, প্রচুর ফল, শাকসবজি এবং সাদা মাংস রাখুন। এসব খাবার আপনার শরীরে শক্তি জোগাবে, শারীরিক এবং মানসিক স্ট্যামিনা বাড়াবে।

খেলাধূলা: ঘরের বাইরে যেকোনো ধরনের খেলা অবসাদ দূর করতে এবং স্ট্যামিনা বাড়াতে সাহায্য করে। ফুটবল, বাস্কেটবল এবং অন্যান্য দৌড়ানোর খেলা হৃদপিণ্ডকে শক্তিশালী করে, ফলে শরীরের সব অংশে অক্সিজেন পৌঁছায়।

ধীর গতি: স্ট্যামিনা বাড়ানোর রুটিন যদি আপনি সবেমাত্র শুরু করে থাকেন তাহলে মাইকের পরামর্শ হচ্ছে, কচ্ছপের গতিতে শুরু করুন। কঠিন এবং উত্তেজক ব্যায়াম এড়িয়ে চলুন।

কার্ডিওভ্যাসকুলারের ব্যায়াম: স্ট্যামিনা বাড়ানোর সবচেয়ে ভালো এবং সহজ ব্যায়াম হচ্ছে, প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় কার্ডিওভ্যাসকুলারের ব্যায়াম করা। যেমন- দৌড়ানো, সাঁতার, লাফানো ইত্যাদি। ভালো ফলাফলের জন্য, ধীরে ধীরে এই ব্যায়ামগুলো করুন।

বিশ্রাম: দৌড়বিদ উসাইন বোল্টের মতো স্ট্যামিনা চাইলে ব্যায়াম চলাকালীন বিশ্রাম কমিয়ে নিন। তবে ক্লান্ত অনুভব করলে কয়েক সেকেন্ডের জন্য বিশ্রাম নিতে পারেন। মাইক বলেন, ব্যায়াম এমনভাবে করবেন যাতে ব্যায়াম শেষে অতিরক্ত গরমবোধ করেন। তখন জোরে শ্বাস-প্রশ্বাস নেবেন এবং শরীর থেকে তখন প্রচুর ঘাম ঝরবে।

অল্প খাবার: আপনার শরীরে পর্যাপ্ত শক্তি সরবরাহের জন্য নিয়মিত বিরতি দিয়ে অল্প অল্প খাবার খান।

পানি: পানিশূন্যতা ও অবসাদ এড়াতে বেশি করে পানি পান করুন। যদি আপনার শরীরে পানি কম থাকে, তাহলে শরীরের রক্ত জমে যেতে পারে। এর কারণে শরীরে রক্ত সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা দেখা দিতে পারে এবং অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেয়।