মেইন ম্যেনু

স্তব্ধ গ্যালারি জাগিয়ে তুললেন মোসাদ্দেক

রীতিমত কেলেঙ্কারি অবস্থা। ৩৪ ওভারে ৭ উইকেটে ১৪১ রান। এরপর ১৬৫ রানে নেই ৯ উইকেট। যাচ্ছে তাই ব্যাটিং। কতো করতে পারবে বাংলাদেশ?

টাইগারদের ব্যাটিং বিপর্যয়ে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামের দর্শক গ্যালারি রীতিমত স্তব্ধ হয়ে পড়েছিল। তবে এই অবস্থা থেকে শেষ দিকে গ্যালারি গরম করে দেন দেশের হয়ে প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নামা তরুণ ব্যাটসম্যান মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। শেষ দিকে এ তরুণ ব্যাটসম্যানের দৃঢ়তায় বাংলাদেশের স্কোর থামে ২০৮ রানে।

অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানদের রান তুলতে যেখানে নাভিশ্বাস বেরিয়ে গেছে, অভিষেক ম্যাচেও সেখানে সাবলীল ছিলেন তরুণ মোসাদ্দেক। ৩৫ বলে ৪৫ রানে অপরাজিত থাকলেন এ তরুণ তুর্কি। সঙ্গীর অভাবে বড় ইনিংস খেলা হয়ে ওঠলো না তার। তবে মিরপুরে বাহারি স্ট্রোক খেলে প্রমাণ করেছেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত তিনি। সেটা তিনি প্রস্তুতি ম্যাচেও প্রমঅন করেছিলেন। কিন্তু তারপরেও প্রথম ওয়ানডেতে তাকে একাদশের বাইরে রাখা হয়েছিল।

প্রথম ম্যাচে সাকুলে ২৬৫ রান করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু এই স্কোরেও সন্তুষ্ট ছিলেন না অধিনায়ক মাশরাফি।মিরপুরের উইকেটে অন্তত ২৮০-২৯০ রান চান তিনি। মঙ্গলবার ম্যাচ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিলেন, পরের ম্যাচে আরো ভালো ব্যাটিং করার কথা।

কিন্তু বুধবার দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ঠিক বিপরীত অবস্থা। মোসাদ্দেক ছাড়া কোনো ব্যাটসম্যানই ৪০ এর কোটা স্পর্শ করতে পারলেন না। মুশফিক করলেন ৩৮।

শেষ দিকে নবাগত মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত দৃঢ়তা না দেখালে চরম লজ্জ্বায় ডুবতে হতো বাংলাদেশকে।

মোসাদ্দেক সবসময় মিডল অর্ডারে ব্যাট করেন। কিন্তু তাকে নামানো হয়েছে সাত নম্বরে। অন্তত কঠিন সময়ে। তারপরেও লড়াইটা একাই চালিয়ে গেছেন তিনি। স্তব্ধ গ্যালারিকে মাঝেমধ্যেই জাগিয়ে তুলছেন এ তরুণ তুর্কি। কিন্তু তাকে এতো পরে নামানো হলো কেন?