মেইন ম্যেনু

স্ত্রীকে খুন করে লাশের সামনে দুই দিন ধরে প্রেমিকাকে নিয়ে ফুর্তি

স্ত্রীকে খুন করে লাশের সামনে দুই দিন ধরে প্রেমিকাকে নিয়ে ফুর্তি করেছেন তিনি। এমনকি মৃত স্ত্রীর দেহের সঙ্গেও যৌনকর্ম করেছেন। শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও এই ঘটনাই ঘটেছে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে। নাটক, সিনেমাকেও হার মানিয়েছে ঘাতক স্বামী ফিরোজের এই নৃশংসতা।

স্ত্রীর দেহ ঘরে পচছে দুই দিন ধরে। অথচ ওই ঘরেই প্রেমিকার সঙ্গে ফুর্তি করতে তার অসুবিধে হয়নি। দিল্লির বাসিন্দা ফিরোজের স্ত্রীর নাম ছিল হালিমা। আগে থেকেই তাদের কিছু দাম্পত্য সমস্যা ছিল। অশান্তির জেরে হালিমা এক পর্যায়ে ফিরোজের থেকে আলাদা থাকতে শুরু করেন।

কয়েক মাস পরে ঝামেলা মিটিয়ে নিতে চায় হালিমা। কিন্তু ফিরোজ গোঁ ধরে থাকে, মিটমাট চলবে না। কারণ ফিরোজের জীবনে ততদিনে চলে এসেছে দ্বিতীয় নারী। তার নাম পূজা।

ফিরোজ ও পূজা দিল্লির শকরপুর এলাকায় একসঙ্গেই থাকতো। হালিমা জানতে পেরে ফিরোজের বাড়ি চলে আসে। আর পূজার সাহায্যে তাকে খুন করে ফিরোজ।

বিছানার নিচে মৃতদেহ ঢুকিয়ে দুদিন ধরে পার্টি করে তারা। গন্ধে যখন আর ঘরে টেকা যাচ্ছে না, তখন তারা ঠিক করে, দেহ ফেলে দিতে হবে। বস্তায় দেহ পুরে তা বাড়ির বাইরে রাস্তার ওপর ফেলে দেয়। তারপর চম্পট দেয় এলাকা থেকে।

ফিরোজ ও পূজা নিখোঁজ হয়ে যাওয়ায় তাদের ওপরেই সন্দেহ পড়ে পুলিশের। তাদের ধরে জেরা শুরু হয়। তখনই ফিরোজ স্বীকার করে নেয় স্ত্রীকে খুনের কথা।