মেইন ম্যেনু

স্ত্রীর অবৈধ যৌনদৃশ্য ফাঁস করলেন স্বামী : অতঃপর

বেঙ্গালুরুর ৩১ বছরের এক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার বেশ কয়েকদিন ধরেই আঁচ করতে পেরেছিলেন, যে তাঁর স্ত্রী পরপুরুষে আসক্ত৷ কিন্তু হাতেনাতে প্রমাণ পাচ্ছিলেন না কিছুতেই৷ তুখোড় চালাক ওই মহিলা স্বামীকে ফাঁকি দিয়ে তাঁর এক পুরুষবন্ধুর সঙ্গে শয্যায় মিলিত হতেন৷

কিন্তু তাল কাটল একদিন! স্ত্রীর অবৈধ শয্যাসঙ্গীর ফেলে যাওয়া এক টুকরো সিগারেট ঘরের কোণ থেকে খুঁজে পান ওই ইঞ্জিনিয়ার৷ স্ত্রীকে বারবার প্রশ্ন করলেও, কোনও না কোনও ছুতোয় স্ত্রী সত্যি স্বীকার করতেই চাইতেন না! তারপরেই ওই ইঞ্জিনিয়ার মনস্থির করে ফেলেন, প্রযুক্তি ও ব্যক্তিগত মেধাকে কাজে লাগিয়ে স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্ক ফাঁস করে দেবেন৷ সেইমত প্রথমে লিভিং রুমের ঘড়ির পিছনে একটি সিসিটিভি ক্যামেরা লাগান৷ কিন্তু তাতে কোনও ফুটেজ ধরা না পড়ায় বেডরুমে ও রান্নাঘরে আরও দুটি সিসিটিভি লাগান৷

একইসঙ্গে স্ত্রীর ফোনের সঙ্গে নিজের ল্যাপটপ ‘সিনক্রোনাইজড’ করে রাখেন ওই ব্যক্তি৷ গোটা প্রক্রিয়াটাই চলে নিখুঁতভাবে৷ একটি রিমোট সার্ভার থেকে স্ত্রীর মোবাইলে কে ফোন করছে, কী কথা বলছে- সবটাই জানতে পারতেন ওই ইঞ্জিনিয়ার৷ ওই ব্যক্তি এমন কোনও প্রমাণ মেলার অপেক্ষা করছিলেন, যা আদালতে পেশ করলে অন্তত ডিভোর্স মেলে৷ কারণ, বহুগামী স্ত্রীর সঙ্গে এক ছাদের নিচে ঘর করা সম্ভব হচ্ছিল না ওই ব্যক্তির পক্ষে৷

সুযোগ এসেও গেল একদিন৷ গতবছরের জুলাই মাসের মাঝামাঝি এক সময়ে ওই ব্যক্তির স্ত্রী তাঁর বয়ফ্রেন্ডকে ফোন করে গর্ভনিরোধক আনতে বলেন৷ অভিযুক্ত মহিলার বয়ফ্রেন্ড বেঙ্গালুরু মেডিকেশন সেন্টার থেকে ওষুধ কেনেন৷ সেই সঙ্গে বেডরুমে লাগানো সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে তাঁদের দুজনের যৌনদৃশ্য৷

প্রমাণ হাতে পেয়ে আর দেরি করেননি ওই ইঞ্জিনিয়ার৷ আদালতের কাছে সমস্ত প্রমাণ-সহ ডিভোর্সের মামলা দায়ের করেন৷ তাঁর আইনজীবী জানিয়েছেন, হাতেনাতে ধরা পড়ে গিয়ে স্ত্রী আদালতে আর বিশেষ কিছুই বলতে পারেননি৷ তিন বছরের কন্যাসন্তানের হেফাজত পেয়েছেন ওই ইঞ্জিনিয়ার৷ স্ত্রীকে কোনও খোরপোষ দিতে হচ্ছে না! কারণ, আদালত ওই ব্যক্তির স্ত্রীকে দোষী সাব্যস্ত করেছে৷ দুপক্ষই আদালতের রায় মেনে নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন অভিযুক্তের আইনজীবী৷ সুত্র-সংবাদ প্রতিদিন