মেইন ম্যেনু

স্ত্রীসহ ক্রিকেটার শাহাদাতের বিচার শুরু

জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার কাজী শাহাদাত হোসেন ও তার স্ত্রী জেসমিন জাহান নিত্যের বিরুদ্ধে গৃহকর্মী নির্যাতনের মামলায় চার্জগঠন করেছে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। এর মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হলো জাতীয় দলের এই সাবেক ক্রিকেটার ও তাঁর স্ত্রীর।

ঢাকার ৫ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক তানজিনা ইসমাইল আজ সোমবার এই চার্জগঠন করেন।

এর আগে গত ২৯ ডিসেম্বর মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শফিকুর রহমান আদালতে এ চার্জশিট দাখিল করেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৪(২) খ ধারায় দাখিলকৃত এই চার্জশিটে মোট ১২ জনকে সাক্ষী করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৪(২) খ ধারা অনুযায়ী বিচারে শাহাদাত ও নিত্যের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের সর্বোচ্চ ১৪ এবং সর্বনিম্ন সাত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

মামলাটিতে ২০১৫ সালের ৪ অক্টোবর শাহাদাতের স্ত্রী জেসমিন জাহান নিত্যকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করলে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠায়। এরপর গত ৫ অক্টোবর শাহাদাত আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তারও জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠায়।

দীর্ঘদিন কারাভোগের পর গত ১ ডিসেম্বর মহানগর দায়রা জজ নিত্যের এবং গত ৮ ডিসেম্বর হাইকোর্ট শাহাদাতের জামিন মঞ্জুর করলে তারা কারামুক্ত হন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, মিরপুরের ২ নম্বর সেকশনের এইচ ব্লকের ৫ নম্বর রোডে শাহাদাতের বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করতো হ্যাপি। গত ৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১১টার দিকে পল্লবীর সাংবাদিক কলোনির ৩ নম্বর রোডের মাথায় হ্যাপিকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন মিরাজ উদ্দীন নামে এক ব্যক্তি। গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগে জাতীয় দলের ক্রিকেটার শাহাদাত হোসেন রাজীবের বিরুদ্ধে গত ৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে সাংবাদিক খন্দকার মোজাম্মেল হক মিরপুর মডেল থানায় মামলা করেন। মামলায় শাহাদাত ও তার স্ত্রী নিত্য শাহাদাতকে আসামি করা হয়। মামলার এজাহারে তাদের বিরুদ্ধে শিশুটিকে অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়। এরপর গত ১৩ সেপ্টেম্বর গৃহপরিচারিকা মাহফুজা আক্তার হ্যাপি (১১) আদালতে হাজির হয়ে জবানবন্দি দেয়।