মেইন ম্যেনু

‘স্ত্রী বললেন, পরকীয়া আমার ইচ্ছা!’ -দেখুন স্বামীর প্রতিক্রিয়া (ভিডিওসহ)

resize56655মাদক, যৌতুক, ইভ টিজিং, বাল্যবিয়ে, ধর্ষণ ও এসিড সন্ত্রাসের মতো পরকীয়া সম্পর্ক বর্তমানে একটি সামাজিক ব্যাধি হয়ে উঠেছে।

সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, থাইল্যান্ডের পূর্ণ বয়স্ক মানুষদের মধ্যে শতকরা ৫৬ জনই পরকীয়ায় যুক্ত।

এই পরকীয়াসন্ত্রাসকে নিয়েও জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে জোরালো আন্দোলন গড়ে তোলা দরকার; প্রচার মাধ্যমগুলোতে পরকীয়ার কু-ফল সম্পর্কে বিশেষ প্রতিবেদন ও ধর্মীয় অনুশাসনকে জাগ্রত করার লক্ষ্যে কাজ চালিয়ে যাওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সমাজবিঞ্জানীরা।

কারণ এ ভয়াবহ সামাজিক অবৰয় রোধ করা সম্ভব না হলে ব্যক্তিক সঙ্কট ও শূন্যতা দেখা দেবে এবং পরিবার ভেঙে যাবে। যার আলামত তীব্রভাবে অনুভূত হচ্ছে।

দেশের সর্বত্র নৈতিকতার এক মহাসর্বনাশ ঘটিয়ে এই পরকীয়া সামাজিক ব্যাধিটি পারমাণবিক বোমা তথা ক্যান্সারের মতো ছড়িয়ে পড়েছে ব্যক্তি-পরিবার-সমাজ ও জাতীয় জীবনেও।

এখন এমন এক অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে যে, সমাজের সিংহভাগ পুরম্নষ ও নারী মনে করে, তাদের স্ত্রী ও স্বামীদের চেয়ে অন্য নারী ও পুরুষরা সুন্দর এবং আর্কষণীয়, অন্যদের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপনে তৃপ্তি বেশি! শুধু তাই নয়, তারা অন্য নারী ও পুরুষদের বাহ্যিকতাকে প্রাধান্য দেয়, প্রকৃত সৌন্দর্যের সংজ্ঞা ভুলে ভ্রান্টদপথে পা বাড়ায়। নানা ছলা-কলায় পুরম্নষরা যেমন নারীদের মহাসর্বনাশ ঘটায় তেমনি নারীরাও দিন দিন বিভিন্ন ভয়াবহতার জন্ম দেয় এ পরকীয়া আসক্ত হয়ে। তারা তাদের বিবাহিত জীবন ছাড়াও অধিক সানি্নধ্য কামনা করে।

তাদের ধারণা, একাধিক সঙ্গ অর্থাৎ নিজ স্ত্রী ও স্বামীদের ব্যতিরেকে অন্য নারী-পুরম্নষ মরীচিকায় বেশি সুখ পাওয়া যায়! আর এভাবেই বেপরোয়া ও বিকৃত যৌননেশায় বুঁদ হয়ে অপতৃপ্তির ঢেঁকুর গিলে আত্মপ্রশানত্দির লোভে মরিয়া হয়ে ওঠে এসব অধিক নারী ও পুরম্নষ লোভীরা।

বেশিরভাগ সমাজে পরকীয়ার বিরুদ্ধে বড় ধরনের কোনো আইন না থাকলেও সকল সমাজেই এটি নৈতিকভাবে বিবর্জিত। পরকীয়ার প্রতি মানুষের নৈতিক ঘৃণা সৃষ্টির জন্য সম্প্রতি ভারতের অভিনেতা ভরুণ প্রুথি ইউটিউবে একটি ভিডিও আপলোড করেছেন।

ভিডিওটিতে দেখা গেছে স্ত্রীর পরকীয়ার বিষয়ে জানার পর তিনি স্ত্রীর সামনে গিয়ে নিজেকে হত্যার জন্য মাথায় বন্দুক ধরেন। এতে তার স্ত্রী কিছুটা ভয় পেলে তিনি তার স্ত্রীকে বলেন, তোমার মতো বিশ্বাসঘাতক স্ত্রীর জন্য আমি আমার নিজের জীবন শেষ করবো না। দেখুন ভিডিওটি। সচেতনতা তৈরীতে এটি কাজে লাগতে পারে।